হাই ইনটেনসিটি হেভি-আয়ন অ্যাক্সিলারেটর ফ্যাসিলিটির (এইচআইএএফ) নির্মাণকাজ সম্পন্ন এবং আনুষ্ঠানিক প্রযুক্তিগত স্বীকৃতি পাওয়ার পর এর পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে চীন। মহাবিশ্বের মৌলিক উপাদানগুলোর রহস্য উন্মোচনে দেশটির গবেষণা প্রচেষ্টায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
চীনা বিজ্ঞান একাডেমির ইনস্টিটিউট অব মডার্ন ফিজিক্সের উপ-পরিচালক এবং এইচআইএএফ প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী অধ্যাপক ইয়াং চিয়ানচেংয়ের মতে, এটি বিজ্ঞানীদের পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের সীমা অনুসন্ধান, পারমাণবিক জ্যোতির্পদার্থবৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া উন্মোচন এবং পারমাণবিক শক্তির উন্নয়ন ও বহুমুখী প্রয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ইনস্টিটিউট অব মডার্ন ফিজিক্সের নির্মিত এই জাতীয় মেগা-বিজ্ঞান প্রকল্পটির সাত বছরের নির্মাণকাজ শেষে ২০২৫ সালের অক্টোবরে সফলভাবে প্রথম হেভি-আয়ন বিম প্রস্তুত করা হয়।
ইনস্টিটিউট অব মডার্ন ফিজিক্সের আরেক উপ-পরিচালক হু চেংকুও বলেন, ‘এটি একটি প্রধান বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে আমাদের দেশের আত্মনির্ভরশীলতা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।‘
প্রয়োগের ক্ষেত্রেও এইচআইএএফের সম্ভাবনা ব্যাপক। মহাকাশযানের বিকিরণ সহনশীলতা পরীক্ষা, পারমাণবিক শক্তি প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং নতুন কার্যকরী উপকরণ উদ্ভাবনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি চিকিৎসাবিজ্ঞানে হেভি-আয়ন ক্যান্সার থেরাপি এবং নতুন চিকিৎসা-আইসোটোপভিত্তিক ওষুধ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এই গবেষণা কেন্দ্র উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধনে সহায়ক হবে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

