নতুন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে চীনের অভ্যন্তরীণ তেল ও গ্যাস সরবরাহ ৪৪ কোটি টন অয়েল ইকুইভ্যালেন্টে পৌঁছাবে বলে আশা করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। সোমবার ন্যাশনাল এনার্জি প্রশাসন এ তথ্য জানিয়েছে।
ন্যাশনাল এনার্জি প্রশাসন এবং ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম কমিশনের যৌথভাবে জারি করা এই পরিকল্পনাটিতে ২০৩০ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ২০ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ দূরপাল্লার তেল ও গ্যাস পাইপলাইন যুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে দেশটির মোট পাইপলাইন নেটওয়ার্ক ২ লাখ ২০ হাজার কিলোমিটারে উন্নীত হবে।
পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, তেল এবং গ্যাস হলো জ্বালানি ও শিল্পজাত কাঁচামালের প্রধান উৎস, যার সরবরাহ সরাসরি চীনের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জনগণের জীবনযাত্রার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, চীন ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ জাতীয় ব্যবহারের ১৩ শতাংশেরও বেশি উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। পাশাপাশি কার্বন ক্যাপচার এবং স্টোরেজ প্রকল্পের মাধ্যমে বার্ষিক কার্বন ডাই অক্সাইড ইনজেকশন ১ কোটি টনে উন্নীত করার কথা বলা হয়েছে।
এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো— শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ সরবরাহ সক্ষমতা, আরও দক্ষ পাইপলাইন নেটওয়ার্ক, পর্যাপ্ত ও নমনীয় মজুদ, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, নিরাপদ ও দক্ষ অপারেশন, উচ্চমূল্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ব্যবহার, দেশীয় প্রযুক্তির উৎকর্ষ এবং আরও বৈচিত্র্যময় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক তেল ও গ্যাস শিল্প গড়ে তোলা।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

