সোমবার,

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সোমবার,

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

৬ আশ্বিন ১৪৩৩

Radio Today News

চীনে ইলিশ-চিংড়ি রপ্তানির বড় সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের: ঢাবির সেমিনারে অধ্যাপক ইয়াং ওয়েই

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৫:২৩, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৫:২৩, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Google News
চীনে ইলিশ-চিংড়ি রপ্তানির বড় সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের: ঢাবির সেমিনারে অধ্যাপক ইয়াং ওয়েই

সমুদ্র অর্থনীতির (ব্লু-ইকোনমি) মাধ্যমে অর্জিত অভাবনীয় সাফল্য কেবল নিজেদের সীমানায় সীমাবদ্ধ না রেখে দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছে চীন। এর অংশ হিসেবে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) আওতায় বাংলাদেশের সঙ্গে গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ, আধুনিক অ্যাকুয়াকালচার এবং সামুদ্রিক গবেষণা ডেটা শেয়ারিংয়ে বিপুল সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে।

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব তথ্য জানান চীনের শাংহাই ওশান ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক এবং চায়না ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট স্ট্র্যাটেজি রিসার্চ সেন্টারের উপ-পরিচালক ইয়াং ওয়েই।

‘চীনের সমুদ্র অর্থনীতি: রূপান্তর, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে ঢাবির সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ (সিসিএস)। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ৫০ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

সেমিনারে সহযোগী অধ্যাপক ইয়াং ওয়েই বলেন, চীন বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম প্রধান জলজ খাদ্য আমদানিকারক দেশ। অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধি ও মধ্যবিত্তের খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের কারণে বিশ্ববাজার থেকে চীনের সামুদ্রিক খাদ্য (সি-ফুড) আমদানি ২০২৫ সালে প্রায় ২৪.৯৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। প্রধানত রাশিয়া, ইকুয়েডর, ভিয়েতনাম, নরওয়ে ও ভারত থেকে দেশটি খাদ্য আমদানি করে থাকে।

দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর সঙ্গে চীনের এই ব্লু-ইকোনমি সহযোগিতার গতিপ্রকৃতি তুলে ধরে ইয়াং ওয়েই বলেন, ‘বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর জন্য চীনের বাজারে সামুদ্রিক পণ্য রপ্তানির বড় সুযোগ রয়েছে। গভীর সমুদ্রের মাছ ধরা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রযুক্তির সঠিক উন্নয়ন ঘটানো গেলে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ, চিংড়ি, কাঁকড়া ও ইলিশ মাছের একটি বিশাল বাজার চীনে গড়ে উঠতে পারে।‘

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে ওশেনোগ্রাফিক রিসার্চ সেন্টার এবং সামুদ্রিক উপগ্রহ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র ইতোমধ্যেই কার্যকর রয়েছে। যৌথ সামুদ্রিক বিজ্ঞানকেন্দ্র স্থাপন, সামুদ্রিক উপগ্রহ পর্যবেক্ষণ ডেটা বিনিময় ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র এবং আফ্রিকান ও এশীয় দেশগুলোতে ব্লু-কার্বন গবেষণা ও প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিচ্ছে বেইজিং।

এক ঘণ্টার এই দীর্ঘ সেশন শেষে একটি প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনার শেষে প্রধান বক্তা ইয়াং ওয়েই’র হাতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে সম্মাননা ও স্মারক উপহার তুলে দেওয়া হয়।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের

আরও পড়ুন  


Warning: Undefined variable $sAddThis in /home/radio4to0da9y/public_html/details.php on line 536