মঙ্গলবার,

১৮ মে ২০২১

মগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আলমগির হোসেন খানের নতুন বছরের শুভেচ্ছা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:২৭, ৩ জানুয়ারি ২০২১

আপডেট: ০২:৪৪, ১৩ জানুয়ারি ২০২১

মগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আলমগির হোসেন খানের নতুন বছরের শুভেচ্ছা

নৌকার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলমগির হোসেন খান

২০২০-কে বিদায় জানিয়ে ২০২১-কে স্বাগত জানানোর মধ্য দিয়ে ঝালকাঠি, নলছিটির মগর ইউনিয়নবাসীকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু ভাইয়ের বিশ্বস্ত ভ্যান গার্ড, “গরীবের বন্ধু” খ্যাত বারবার নির্বাচিত  জনপ্রিয় সাবেক চেয়ারম্যান, বর্তমান ঝালকাঠি জেলা পরিষদ সদস্য জনাব মোহাম্মদ আলী খানের সুযোগ্য পুত্র বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ আলমগির হোসেন খান।

শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, বিগত বছরের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা পেছনে ফেলে নতুন বছরে অমিত সম্ভাবনার পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাক। জাতির জনকের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুর্বার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাবে। দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি উত্তরোত্তর বৃদ্ধিপাবে। কিংবদন্তি জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু ভাইয়ের হাতে হাত রেখে সুখী সমৃদ্ধ মগর ইউনিয়ন  গঠনে সকল অপশক্তি, মাদক ও জংঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে মগর ইউনিয়নের জনগণ সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ হবে ইউনিয়নের প্রতিটি জনগণ।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ২নং মগর ইউনিয়ন হইতে চেয়ারম্যান পদপার্থী হিসেবে তিনি মগর ইউনিয়নকে আধুনিক মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তিনি বিবিধ পরিকল্পনা  গ্রহণ করেছেন,  ইউনিয়নবাসীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন, আমদের একমাত্র রাজনৈতিক অভিবাবক জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এবং মগর ইউনিয়নবাসী অতীতে আমার বাবাকে বারবার ভালোবাসা, স্নেহ ও সমর্থন দিয়েছেন। আল্লাহর রহমতে আমার বাবা দীর্ঘ প্রায় চার দশক আপনাদের পাশে থেকে ইউনিয়ন পরিষদের সফল মেম্বর, চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি, জেলা পরিষদ সদস্য হিসাবে জননেতা আমির হোসেন আমু ভাইয়ের বিশ্বস্ত সহযোগী হিসাবে কাজ করেছেন,  আপনাদের সুখ-দুঃখের অংশীদারি হয়েছেন এবং এখনও করে যাচ্ছেন। আমার পিতা কোন অন্যায়ের কাছে মাথা নত ও আপোষ না করে তার যথাসাধ্য আপনাদের সেবা করার চেষ্টা করেছেন, তার জীবনের সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছেন, কখনো নিজের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য সুযোগ থাকা সত্ত্বেও এলাকাবাসীদের ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি দেয়নি। বিনিময়ে তিনি সবসময়  পেয়েছেন আপনাদের আকুন্ঠ ভালবাসা ও সমর্থন।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আপনাদের সমর্থন, ভালবাসা এবং চেয়ারম্যান হিসাবে পিতার কিছু অসম্পূর্ণ কাজ সমাপ্ত করতে যোগ্য পিতার যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে আপনাদের একজন সেবক হয়ে আমার বাবার মত আপনাদের পাশে থাকতে চাই। আমরা পারিবারিকভাবেই এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম, পাশে আছি, পাশে থাকবো ইনশাহাল্লাহ। আমার স্বপ্নের মগর ইউনিয়নকে একটা মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো এটা আমার দীর্ঘ দিনের লালিত স্বপ্ন, এটা আমার পুঞ্জিবুত সাধনা, এটা আমার বিশ্বাস। নিম্মে আমার মগর ইউনিয়ন এর উন্নয়নকল্পে নির্বাচনী চিন্তা-চেতনা আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম।


১. ইউনিয়ন পরিষদকে দলীয় প্রভাব মুক্ত রেখে সর্বজনীন ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে গঠন করা।
২. এলাকার শিক্ষিত, সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে উপদেষ্টা কমিটি গঠন এবং তাদের পরামর্শক্রমে ইউনিয়ন পরিষদের সার্বিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত করা।
৩. সামাজিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিচার ব্যবস্থায় সমাজকে অর্ন্তভূক্ত করা হবে প্রয়োজনবোধে তাৎক্ষণিক আমানত গ্রহণ করা হবে।
৪. দলমত নির্বিশেষে ন্যায় বিচারভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।
৫. গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পে স্থানীয় জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করা হবে।
৬. কোন রকম ভোগান্তি ছাড়া যথা সময়ে বিনামূল্যে নাগরিক সনদ (চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট) প্রদান করা হবে।
৭. ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য ও সেবা কেন্দ্রকে আধুনিকায়ন করা হইবে।
৮. ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগের স্বার্বজনীন পাঠাগার ও দৈনিক পত্রিকা পাঠ করার ব্যবস্থা করা হবে।
৯. পেশী শক্তি নির্ভর গোষ্টি সস্ত্রাসকে কঠোর হাতে দমন করে নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
১০. সমাজিক অবক্ষয় ও মাদক মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা হবে।
১১.  টি. আর বরাদ্দের মাধ্যেমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের উন্নয়ন কর্মকান্ডের সহায়তা করা হবে।
১২. ইউনিয়ন পরিষদের মাসিক কর্মকান্ডের বিবরণী জন-সাধারণের অবগতির জন্য প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে।
১৩. মগর ইউনিয়নকে শতভাগ সেনিটেশনের আওতাভুক্ত করা হবে।
১৪. নিরক্ষরমুক্ত ইউনিয়ন গড়ে তোলা হবে।
১৫. সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে ইউনিয়ন পরিষদের সেবাসমূহ জনগণের জন্য বৈষম্যহীনভাবে প্রদান করা হবে।
১৬. ওয়ার্ডভিত্তিক ত্রিমাসিক সভা করে সমস্যা চিহ্নিতকরণপূর্বক সমাধানকল্পে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৭. পিতৃহীন, গরীব, অসচ্ছল, প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার সহায়তার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে।
১৮. এলাকার শিক্ষিত, বেকার যুবকদের কম্পিউটারসহ অন্যান্য প্রশিক্ষণ প্রদান করে সাবলম্বী করা হবে।

সম্পর্কিত বিষয়: