শ্রীলঙ্কার রাজধানীতে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়াল

রোববার,

৩০ নভেম্বর ২০২৫,

১৬ অগ্রাহায়ণ ১৪৩২

রোববার,

৩০ নভেম্বর ২০২৫,

১৬ অগ্রাহায়ণ ১৪৩২

Radio Today News

শ্রীলঙ্কার রাজধানীতে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:০৪, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

Google News
শ্রীলঙ্কার রাজধানীতে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়াল

শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সৃষ্ট ভারী বর্ষণ ও ভূমিধসে আজ রোববার শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। এতে অন্তত ২১২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আরও অনেক নিখোঁজ রয়েছেন।

কলম্বো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দ্বীপটির সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যাঞ্চলের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র মাত্র প্রকাশ পেতে শুরু করেছে, কারণ ত্রাণকর্মীরা উপড়ে পড়া গাছ ও ভূমিধসে বন্ধ হয়ে যাওয়া সড়কগুলো পরিষ্কার শুরু করেছেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি) জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় দিতওয়া’র কারণে এক সপ্তাহের ভারী বৃষ্টিতে অন্তত ২১২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরো ২১৮ জন নিখোঁজ রয়েছে।

শনিবার থেকে কেলানি নদীর পানি দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় কলম্বোর উত্তরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এ সময় বাধ্যতামূলকভাবে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

ডিএমসির এক কর্মকর্তা বলেন, ঘূর্ণিঝড় চলে গেলেও উজানে ভারী বৃষ্টির কারণে কেলানি নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল এখন বন্যায় ডুবে যাচ্ছে।

ভারত থেকে আসা একটি হেলিকপ্টার ত্রাণ কার্যক্রমে যোগ দিয়ে আজ ২৪ জনকে উদ্ধার করেছে, যাদের মধ্যে ছিলেন এক গর্ভবতী নারী ও হুইলচেয়ারে থাকা এক ব্যক্তি। তারা কলম্বো থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে কোটমালে শহরে আটকা পড়েছিলেন।

শ্রীলঙ্কার বিমানবাহিনী জানিয়েছে, পাকিস্তানও উদ্ধারকারী দল পাঠাচ্ছে। জাপানও জরুরি প্রয়োজন মূল্যায়নের জন্য একটি দল পাঠাবে এবং সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বিমানবাহিনী আরও জানিয়েছে, তারা শনিবার প্লাবিত হওয়া উত্তরাঞ্চলের চিলাও শহরের একটি হাসপাতাল থেকে দুই শিশু ও ১০ বছরের এক শিশুকে উদ্ধার করেছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানীতে বন্যার পানি নামতে কমপক্ষে এক দিন সময় লাগবে। এদিকে, শুষ্ক আবহাওয়ার পূর্বাভাসও রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় দিতওয়া শনিবার ভারতের দিকে অগ্রসর হয়েছে।

কলম্বোর উপশহর ওয়েন্নাওয়াট্টের ৪৬ বছর বয়সি সেলভি বলেন, আমার বাড়ি পুরোপুরি পানিতে ডুবে গেছে। কোথায় যাব জানি না। তবে, আশা করি পরিবার নিয়ে যাওয়ার মতো কোনো নিরাপদ আশ্রয় পাওয়া যাবে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের