আমলকী পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে রয়েছে। নিয়মিত আমলকী খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সেই সঙ্গে বহু রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। তবে অনেকেরই প্রশ্ন, কেটে না রস করে -কীভাবে আমলকী খেলে বেশি উপকার মিলবে?
আমলকী কেটে খাওয়ার উপকারিতা-
বিশেষজ্ঞদের মতে, রস করে খাওয়ার চেয়ে কাঁচা আমলকী কেটে খেলে বেশি পুষ্টি পাওয়া যায়। লবণ মিশিয়ে খেলে হজমশক্তি বাড়ে এবং শরীর অতিরিক্ত উপকার পায়। আমলকী মাড়ির প্রদাহ, স্কার্ভি এবং ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় বিশেষভাবে কার্যকর।
আমলকীর রস কি উপকারী?
আমলকী রস করে খাওয়াও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তবে তাজা আমলকী খাওয়াকে বেশি উপকারী মনে করা হয়। প্রতি ১০০ গ্রাম আমলকীতে প্রায় ৬০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকে—যা দু’টি কমলা খাওয়ার সমান। আমলকী হাড়কে মজবুত করে এবং ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী রাখে।
খালি পেটে খাওয়ার উপকারিতা
বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে খালি পেটে আমলকীর জুস পান করা বা কেটে খাওয়া—দু’ভাবেই শরীর উপকৃত হয়। এটি শরীরে শক্তি যোগায়, চুল পড়া রোধ করে, ত্বকের সমস্যা কমায়। এছাড়াও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে এই ফল।
পুষ্টিবিদদের মতে, আমলকী এমন এক সুপারফুড যা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যোগ করলে সামগ্রিক স্বাস্থ্যগঠনে অসাধারণ ভূমিকা রাখে। টুকরা করে কিংবা জুস হিসেবে যেভাবেই খান না কেন এটি শরীরকে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রয়োজনীয় খনিজে সমৃদ্ধ করে। কাঁচা আমলকী খেলে পুষ্টিগুণ অক্ষত থাকে আর জুস শরীরে দ্রুত শোষিত হয়ে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

