সৌদি আরবের রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে হামলার ঘটনায় দ্রুত পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউজ নেশনের সাংবাদিক কেলি মেয়ারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, এই হামলার প্রতিক্রিয়া কী হতে যাচ্ছে, তা আপনারা খুব শিগগিরই দেখতে পারবেন।
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প জানান, এই যুদ্ধে বর্তমানে মার্কিন স্থল সৈন্য পাঠানোর প্রয়োজন হবে বলে তিনি মনে করেন না। যদিও এর আগে তিনি মন্তব্য করেছিলেন যে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় মার্কিন স্থল বাহিনী মোতায়েন করার প্রয়োজন পড়লে তিনি তাতে মোটেও ভীত নন।
আপাতত স্থল অভিযানের সম্ভাবনা নাকচ করলেও, রিয়াদ দূতাবাসের ওপর হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র যে একটি বড় ধরনের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ট্রাম্পের এই বক্তব্যে তার স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র মার্কিন দূতাবাসে হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে এক বিবৃতিতে বলেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসকে লক্ষ্য করে দুটি ড্রোনের মাধ্যমে হামলা চালানো হয়েছে। এর ফলে ভবনের একটি অংশে 'সামান্য অগ্নিকাণ্ড' ঘটে এবং আংশিক কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অপরদিকে একই দিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, তাদের নৌবাহিনী সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে একটি ‘জটিল হামলা’ চালিয়েছে।
এছাড়া, আইআরজিসি কুয়েতের আরিফজান ঘাঁটিতেও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে। একই সঙ্গে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আইআরজিসি। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, এই পথ দিয়ে কোনো জাহাজ পার হওয়ার চেষ্টা করলে সেটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

