ভিসা, গ্রিন কার্ডসহ বিভিন্ন অভিবাসন-সুবিধার আবেদন প্রক্রিয়ায় নতুন কড়াকড়ি আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, আবেদন জমা দেওয়ার সময়ই আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট সুবিধার জন্য নিজের যোগ্যতার প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। তা না হলে অতিরিক্ত তথ্য চাওয়ার সুযোগ না দিয়েই আবেদন বাতিল করা হতে পারে।
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, বুধবার (৫ আগস্ট) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস)।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীরা যদি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক নথি বা যোগ্যতার প্রমাণ দাখিল করতে ব্যর্থ হন, তাহলে ইউএসসিআইএস অতিরিক্ত তথ্য চেয়ে রিকোয়েস্ট ফর এভিডেন্স (RFE) বা নোটিশ অব ইন্টেন্ট টু ডিনাই (NOID) জারি না করেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারবে।
ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, প্রতিটি অভিবাসন-সুবিধার আবেদনপত্র ও নির্দেশিকায় প্রয়োজনীয় নথির তালিকা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। তাই আবেদনকারীদের শুরু থেকেই পূর্ণাঙ্গ আবেদন জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
সংস্থাটির মতে, নতুন এই নীতিমালা যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)-এর বিদ্যমান নিয়ন্ত্রক ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর ফলে অভিবাসন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বাড়বে এবং ভিত্তিহীন বা অসম্পূর্ণ আবেদন দাখিলের প্রবণতা কমবে।
এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের সময় কার্যকর হওয়া একটি নীতির পরিবর্তন আনা হয়েছে। ওই নীতিতে আবেদন অসম্পূর্ণ বা প্রমাণপত্রে ঘাটতি থাকলে তা সরাসরি বাতিল না করে কর্মকর্তাদের আবেদনকারীর কাছে অতিরিক্ত তথ্য চেয়ে RFE পাঠাতে উৎসাহিত করা হতো।
নতুন নীতিমালা ৫ আগস্ট জারির পর থেকেই কার্যকর হয়েছে। ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, বিদ্যমান আইন বা নীতিমালায় ভিন্ন কোনো নির্দেশনা না থাকলে ২০২৬ সালের ৫ আগস্ট বা এর পরে জমা দেওয়া এবং ওই সময় পর্যন্ত বিচারাধীন থাকা সব অভিবাসন-সুবিধার আবেদনের ক্ষেত্রে এই নীতিমালা প্রযোজ্য হবে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

