জামালপুরে গৃহবধূ ইসরাত জাহান মিমিকে শ্বাসরোধে হত্যার দায় স্বীকার করে পিবিআই ও আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে স্বামী কাউসার আহাম্মেদ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে জামালপুরের পিবিআই পুলিশ সুপার পংকজ দত্তের কাছে ১৬১ ধারায় এবং দুপুরে জামালপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোমানা আক্তারের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি। স্বীকারোক্তি গ্রহণের পর বিচারক তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
জবানবন্দিতে কাউসার আহাম্মেদ জানান, পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের জেরে শনিবার রাতে নিজ শয়নকক্ষে স্ত্রী ইসরাত জাহান মিমিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তিনি।
গত রোববার সকাল ৭টার দিকে জামালপুর শহরের শেখেরভিটা এলাকার এক নির্মাণাধীন ভবনের ৫ তলার ফ্ল্যাটের জানালা দিয়ে নিহতের দুই সন্তান- স্নেহা (৯) ও মেঘদ্বীপ (৫) হাত বাড়িয়ে রাস্তার পথচারীদের কাছে বাঁচানোর আকুতি জানায়। শিশুদের কান্না ও চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ দুটি কক্ষের ভেতর গৃহবধূর লাশ ও দুই সন্তানকে দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। সদর থানা পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার ও শিশুদের মুক্ত করে।
হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের মা মুক্তা বেগম বাদী হয়ে জামাতা কাউসার আহাম্মেদসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
পিবিআই পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত জানান, সোমবার মামলাটি রুজু হওয়ার পর পিবিআই তদন্তের দায়িত্ব নেয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই দিন দুপুরেই শহরের বটতলা এলাকা থেকে কাউসার আহাম্মেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তিনি পিবিআই ও আদালতে বিচারকের কাছে স্ত্রীকে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

