মোংলা বন্দরে আমূল পরিবর্তন হবে ৬ মাসে: নৌপরিবহন মন্ত্রী

শনিবার,

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

৯ ফাল্গুন ১৪৩২

শনিবার,

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

৯ ফাল্গুন ১৪৩২

Radio Today News

মোংলা বন্দরে আমূল পরিবর্তন হবে ৬ মাসে: নৌপরিবহন মন্ত্রী

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৯:৪৫, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ২০:০৪, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Google News
মোংলা বন্দরে আমূল পরিবর্তন হবে ৬ মাসে: নৌপরিবহন মন্ত্রী

আগামী ছয় মাসের মধ্যে মোংলা বন্দরের ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান ও আমূল পরিবর্তন আনা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার বাগেরহাটের মোংলা বন্দর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। 

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকার ঘোষিত ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে বন্দরের ব্যবস্থাপনা, সেবা ও সক্ষমতায় যে পরিবর্তন আসবে, তা মোংলাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে। 

স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে জাতীয় অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে এর অবদান বহুগুণে বাড়বে। প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে মোংলা বন্দরকে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরগুলোর কাতারে উন্নীত করা সম্ভব। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, পরিকল্পিত উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা গেলে মোংলাকেও সমপর্যায়ের কার্যকর বন্দরে রূপান্তর করা যাবে।

প্রথমে বন্দরের সম্মেলন কক্ষে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং রেলপথ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বন্দর প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বন্দরের বর্তমান কার্যক্রম, অবকাঠামো উন্নয়ন, জাহাজ হ্যান্ডলিং সক্ষমতা, সংযোগ ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পরে মন্ত্রী জেটি এলাকা ঘুরে দেখেন এবং চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

তিনি বলেন, বন্দরের গতিশীলতা বাড়াতে জরুরি ভিত্তিতে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে উন্নয়নের প্রয়োজনীয় দিকগুলো ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। ঢাকায় ফিরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অতীতের বিতর্কিত চুক্তি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। এখন সব চুক্তি যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে। যেগুলো দেশের স্বার্থে ইতিবাচক, সেগুলো এগিয়ে নেওয়া হবে; আর যেগুলো ক্ষতিকর বা অযৌক্তিক, সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে না।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে মন্ত্রী মোংলা নদী পারাপারে একটি সেতু নির্মাণের আশ্বাস দেন। পাশাপাশি মোংলা রুটে চলাচলকারী ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান। তার সফরসঙ্গী ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের