কৃষি বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে, কৃষক ভালো থাকলে মানুষ ভালো থাকবে

সোমবার,

১৬ মার্চ ২০২৬,

২ চৈত্র ১৪৩২

সোমবার,

১৬ মার্চ ২০২৬,

২ চৈত্র ১৪৩২

Radio Today News

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কৃষি বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে, কৃষক ভালো থাকলে মানুষ ভালো থাকবে

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৫:১৬, ১৬ মার্চ ২০২৬

Google News
কৃষি বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে, কৃষক ভালো থাকলে মানুষ ভালো থাকবে

সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যেই দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়ায় খালের মাটি কাটার মধ্য দিয়ে সারা দেশে একযোগে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। পরে সেখানেই জনসভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় তারেক রহমান বলেন, কৃষি উৎপাদন বাড়ানো ও বন্যা মোকাবিলা করতেই খাল খনন কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। সারাদেশে পর্যায়ক্রমে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষি বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে, কৃষক ভালো থাকলে মানুষ ভালো থাকবে।

তিনি জানান, আগামী মাস থেকে কৃষকদের সরকারি সুবিধার জন্য কৃষক কার্ড দেয়া হবে। ধীরে ধীরে সারাদেশের সব দরিদ্র নারী ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি এমন বাংলাদেশ গড়তে চায় যেখানে প্রতিটি মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি আসবে।

তিনি বলেন, ‘আজকে এখানে খাল খনন করলাম, আগামী পাঁচ বছরে ইন-শা-আল্লাহ সমগ্র বাংলাদেশে আমরা প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করব। বর্ষার সময় হঠাৎ করে উজান থেকে পানি চলে আসে, নদী-খাল সব বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে উজান থেকে যখন হঠাৎ করে পানি আসে তখন দেখি যে আমরা, নদী খাল-বিলের আশেপাশে যে বাড়িঘরগুলো আছে সেগুলো ভেসে যায়, গরু-ছাগলগুলো ভেসে যায়, ঘরের জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে যায়, এইরকম সমস্যা যেন না হয়। আমরা চাই খাল খননের মাধ্যমে বর্ষার সময় যে অতিরিক্ত পানিটা, সেই পানিটা আমরা ধরে রাখব। এই পানিটা ধরে রাখতে পারলে সবার উপকার হবে। যাতে শুষ্ক মৌসুম বা বর্ষা মৌসুম, সব মৌসুমে যেন আমরা পানিটা কাজে লাগাতে পারি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ বিরাট দেশ একটা। ২০ কোটি মানুষ এই দেশে। এত মানুষের খাবার কি বিদেশ থেকে আনা সম্ভব, বিদেশ থেকে আনা সম্ভব না। এই খাবার আমাদেরকে দেশেই উৎপাদন করতে হবে। আল্লাহ এই দেশের মাটিকে এত উর্বর করে দিয়েছেন যে, বীজ রোপণ করে পানির ব্যবস্থা করলেই ফসল উৎপাদন করা যায়। কাজেই আল্লাহর নেয়ামত এই পানিটাকেই আমাদের সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে মানুষের উপকারে। শুধু খাল না, খালের পাশে যে জায়গা পাবো সেখানে আমরা হাজার হাজার বৃক্ষ রোপণ করব। এই খালের পাশ দিয়ে রাস্তা হবে, যেন আপনাদের হাঁটাচলার জন্য সুবিধা হয়।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘এখন যেহেতু শুষ্ক মৌসুমে নদীতে পানি নেই, খালে পানি নেই, আমাদেরকে ডিপ টিউবওয়েল দিয়ে মাটির নিচ থেকে পানি তুলে আনতে হয়। এভাবে মাটির নিচ থেকে পানির স্তর আরও নিচে নেমে যাচ্ছে। তাই আমাদেরকে মাটির ওপরের পানি যতটুকু সম্ভব ধরে রেখে মাটির নিচের পানি রিজার্ভ রাখতে হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।’

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের