জাতীয় বাজেটে জনগণের ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে এবং দেশের প্রতিটি মানুষকে অর্থনীতির মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেট সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কথা বিবেচনায় রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যয় কমানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি বলেন, বিশ্ব অর্থনীতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদেরও এগোতে হবে। বৈশ্বিক বাস্তবতার কারণে আমরা প্রচলিত বাজেট কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছি।
দারিদ্র্য বিমোচনকে এবারের বাজেটের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করাই সরকারের অগ্রাধিকার। এজন্য শিক্ষাখাতে, বিশেষ করে কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষায় উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এবারের বাজেটে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সামাজিক খাতে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বড় বিনিয়োগ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে সামাজিক খাতে এবারই সর্বোচ্চ বিনিয়োগ করা হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো জনগণকে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে একদিকে যেমন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতি আসবে, অন্যদিকে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদারের মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে।
এসময় তিনি জাতীয় পে স্কেল, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকসহ আরও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

