২৫৭ কর্মকর্তা ছাঁটাই: এইচএসবিসির কাছে ব্যাখ্যা চাইলো বাংলাদেশ ব্যাংক

বুধবার,

১৫ জুলাই ২০২৬,

৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

বুধবার,

১৫ জুলাই ২০২৬,

৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

Radio Today News

২৫৭ কর্মকর্তা ছাঁটাই: এইচএসবিসির কাছে ব্যাখ্যা চাইলো বাংলাদেশ ব্যাংক

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৩:৩৬, ১৫ জুলাই ২০২৬

আপডেট: ১৩:৩৬, ১৫ জুলাই ২০২৬

Google News
২৫৭ কর্মকর্তা ছাঁটাই: এইচএসবিসির কাছে ব্যাখ্যা চাইলো বাংলাদেশ ব্যাংক

রিটেইল ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধের জেরে ২৫৭ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করার ঘটনায় এইচএসবিসি বাংলাদেশের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ক্ষতিপূরণ প্রদান ও চাকরিচ্যুতির ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আরোপিত শর্ত এবং প্রযোজ্য নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে জানতে চলতি মাসে পাঠানো এক চিঠিতে ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 

চিঠিতে বলা হয়েছে, এইচএসবিসি বাংলাদেশের গুলশান, ধানমন্ডি ও চট্টগ্রামের জিইসি সার্কেল শাখায় রিটেইল ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধের পর চাকরিচ্যুত কর্মীদের আর্থিক সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।

চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের শর্ত উপেক্ষা করে তাদের ক্ষতিপূরণ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। তাদের দাবি, এইচএসবিসির বৈশ্বিক মানদণ্ড এবং অন্যান্য দেশে একই ধরনের পুনর্গঠনের সময় দেওয়া ক্ষতিপূরণের তুলনায় বাংলাদেশে দেওয়া সুবিধা অনেক কম।

এ কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক আগের ও বর্তমান ক্ষতিপূরণ প্যাকেজের তুলনামূলক বিবরণ এবং সংশ্লিষ্ট দালিলিক প্রমাণ চেয়েছে। একই সঙ্গে কর্মীদের দিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে 'ডিক্লারেশন অব রিলিজ অ্যান্ড ডিসচার্জ' স্বাক্ষর করানোর কারণ এবং শাখা বন্ধের অনুমোদনের সময় আরোপিত অন্যান্য শর্ত বাস্তবায়নের বিষয়েও ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

চাকরিচ্যুত কর্মীদের দাবি, গত ৪ জুলাই তাদের ১৫ মাসের বেতনের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। তবে ভারতে একই ধরনের পুনর্গঠনের সময় সর্বোচ্চ ১২০ মাস এবং শ্রীলঙ্কায় ৮৪ মাসের বেতনের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলেও বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ১৫ মাসের বেতনের সমপরিমাণ সুবিধা দেওয়া হয়েছে, যা বৈষম্যমূলক।

তাদের আরও অভিযোগ, ৩১ মার্চ রিটেইল ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে একযোগে ২৫৭ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো নথিতে তাদের 'রিট্রেঞ্চড' (ছাঁটাইকৃত) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু কর্মীদের দেওয়া চিঠিতে শ্রম আইনের ২৬ ধারার আওতায় সাধারণ চাকরিচ্যুতির কথা বলা হয়েছে। এর ফলে তারা ছাঁটাই-সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণ ও অন্যান্য আইনগত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেন।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের