জুলাইযোদ্ধা আজিজুরের জীবনসংগ্রামের গল্প শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার,

৩০ জুলাই ২০২৬,

১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

বৃহস্পতিবার,

৩০ জুলাই ২০২৬,

১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

Radio Today News

জুলাইযোদ্ধা আজিজুরের জীবনসংগ্রামের গল্প শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২০:০৩, ৩০ জুলাই ২০২৬

আপডেট: ২০:০৫, ৩০ জুলাই ২০২৬

Google News
জুলাইযোদ্ধা আজিজুরের জীবনসংগ্রামের গল্প শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

মাথায় গুলির গুরুতর ক্ষত এবং শরীরে বহন করা অন্তত ৩৬টি স্প্লিন্টারের যন্ত্রণা নিয়ে শেষ পর্যন্ত নিজের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করলেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত শেখ আজিজুর রহমান। আন্দোলনের ময়দানে নিজের মাথার রক্তক্ষরণ ঠেকাতে যে জাতীয় পতাকাটি বেঁধেছিলেন, সেই রক্তে ভেজা ঐতিহাসিক পতাকাটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই আবেগঘন সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে ‘গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও শুধু ছাত্রদল করার কারণে মেলেনি জুলাইযোদ্ধার স্বীকৃতি’—শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। বিষয়টি জানতে পেরে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে তার অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনকে আজিজুরের খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেন এবং তাকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ডেকে পাঠান।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী আজিজুরের জীবনসংগ্রামের বিবরণ শোনেন।

আন্দোলনে আহত হওয়ার স্মৃতি, পড়াশোনা এবং সংসার চালাতে সিএনজি চালানোর গল্প শুনে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী এবং তার সার্বিক চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।

সাক্ষাৎ শেষে শেখ আজিজুর রহমান তার উচ্ছ্বাস ও অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও আবেগাপ্লুত। রক্তমাখা প্রিয় পতাকাটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিতে পারাটা আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত এবং এটি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

উল্লেখ্য, নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার সন্তান শেখ আজিজুর রহমান সরকারি বাংলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির একজন সদস্য।

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় মিরপুর-১০ নম্বর ফ্লাইওভারে বীরত্বের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। ১৯ জুলাই আন্দোলন চলাকালে তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে মাথার সঙ্গে পেঁচিয়ে নেওয়া জাতীয় পতাকাটি মুহূর্তেই লাল রক্তে ভিজে যায়। সে অবস্থায়ও রাজপথ না ছাড়লে তাকে গ্রেপ্তার করে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের