বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু দেশের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার নির্বাচন নয়। এবারের নির্বাচন বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করার নির্বাচন বলে জানান তিনি। আজ (শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ, তাদের যে অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিল, তা প্রয়োগ করবে। বাংলাদেশের মানুষ গত এক যুগ ধরে, তাদের কাছ থেকে যে রাজনৈতিক অধিকার, কথা বলার অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিল, সে অধিকার প্রয়োগ করবে। আজ বাংলাদেশের মানুষের সামনে হারিয়ে যাওয়া অধিকার প্রয়োগ করার সময় এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘বিগত সময়ে যারা জীবন দিয়েছে, যারা বিভিন্নভাবে অত্যাচারিত নির্যাতিত হয়েছে, তাদের সে মূল্যায়নকে কখনো বৃথা যেতে দেয়া যায় না। এবারের নির্বাচন শুধু দেশের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার নির্বাচন নয়। এবারের নির্বাচন হবে আমাদের দেশকে পুনর্গঠন করার নির্বাচন।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত একযুগ ধরে বাংলাদেশের মানুষ তাদের যেমন রাজনৈতিক অধিকারকে প্রয়োগ করতে পারেনি, তারা কথা বলার স্বাধীনতা পায়নি। ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের মানুষ তাদের অর্থনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার অধিকার থেকেও অনেক পিছিয়ে গিয়েছে। আজ সময় এসেছে আমরা ১২ তারিখের নির্বাচনে যেমন জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচিত করবো। একইভাবে আমরা দেশ পুর্নগঠনের কাজে হাত দেবো।’
দেশের নারীদের কর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত না করতে পারলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব না বলেও জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান।
তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্ধেক জনসংখ্যা হচ্ছে নারী। এই নারীকে যদি আমরা কর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে না পারি, তাহলে কোনোভাবেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব না। সেজন্য দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তখন উনি বাংলাদেশের মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনামূল্যে করে দিয়েছিলেন। আজ বাংলাদেশের হাজারো, লাখ, কোটি নারী শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়েছে। কিন্তু এ নারী, এ মা-বোনদের আমরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে চাই।’
এছাড়া নির্বাচনি জনসভায় একদল আরেক দলের বিপক্ষে কথা বলে জনগণের কোনো লাভ হবে না বলেও জানান তিনি।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

