ছাত্রশিবিরের দৃশ্যমান শক্তি ও মর্যাদার জায়গা হলো নৈতিকতা

বুধবার,

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

১৩ ফাল্গুন ১৪৩২

বুধবার,

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

১৩ ফাল্গুন ১৪৩২

Radio Today News

জামায়াত আমির

ছাত্রশিবিরের দৃশ্যমান শক্তি ও মর্যাদার জায়গা হলো নৈতিকতা

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১০:২৯, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১১:২১, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Google News
ছাত্রশিবিরের দৃশ্যমান শক্তি ও মর্যাদার জায়গা হলো নৈতিকতা

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিজয়ের ধারাবাহিকতায় নৈতিকতার ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দিতে পারে। ছাত্রশিবিরের দৃশ্যমান শক্তি ও মর্যাদার জায়গা হলো নৈতিকতা। সুতরাং নৈতিকতার প্রশ্নে কোনো আপস নয়।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ-২০২৬ এর দিনব্যাপী প্রথম সাধারণ অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আগামী দিনের স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের দায়িত্ব পালনের জন্য সংগঠনের জনশক্তিকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। তৃণমূল থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে বৃহত্তর পরিসরে নেতৃত্ব প্রদানের যোগ্যতা অর্জনে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নামাজ হলো নৈতিকতার ভিত্তি। কোনো অজুহাতেই নামাজের ব্যাপারে শিথিলতা গ্রহণযোগ্য নয়। যুবক বয়স থেকেই যারা গোপন ও প্রকাশ্য নফল ইবাদতে অভ্যস্ত হন, আমৃত্যু তার ব্যাবহারিক জীবনে এর প্রভাব থেকে যায়। মানুষের নৈতিক সৌন্দর্য যখন অন্যদেরকে আকৃষ্ট করে, তখন পৃথিবীর কোনো শক্তিই তাদের বিজয়কে রোধ করতে পারবে না।

এতে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম। তিনি যুগে যুগে ইসলামী আন্দোলনের কাজ করতে গিয়ে যারা জীবন দিয়েছেন তাদের স্মরণ করে বক্তব্য শুরু করেন।

কার্যকরী পরিষদ সদস্যদের উদ্দেশে নুরুল ইসলাম বলেন, কার্যকরী পরিষদ সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও কার্যক্রম বাস্তবায়নের সংগঠনের সর্বোচ্চ সাংগঠনিক কাঠামো। এই পরিষদের সদস্য হিসেবে প্রত্যেককে সর্বপ্রথম নিজেদের তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করতে হবে এবং কেন্দ্রীয় সভাপতিকে সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী দিনের বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকরী পরিষদকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সংগঠনের জনশক্তিদের নৈতিক মান উন্নয়ন, আদর্শিক দৃঢ়তা বৃদ্ধি এবং চারিত্রিক পবিত্রতা সংরক্ষণে নিবিড় তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি জনশক্তিদের মাঝে রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টি, সমসাময়িক পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিক উপলব্ধি গড়ে তোলা এবং তাদের দেশ ও জাতির কল্যাণে নিবেদিত, দায়িত্বশীল ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

দিনব্যাপী এ অধিবেশনে কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা ও শপথ গ্রহণ, বার্ষিক পরিকল্পনা প্রস্তাবনা পেশ, পর্যালোচনা ও অনুমোদন, সেক্রেটারিয়েট গঠন এবং অঞ্চল পরিচালক নির্ধারণ করা হয়।

অধিবেশনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান (এমপি), মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (এমপি), ড. রেজাউল করিম ও জাহিদুল ইসলাম।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের