শনিবার,

২৪ অক্টোবর ২০২৬,

৯ কার্তিক ১৪৩৩

শনিবার,

২৪ অক্টোবর ২০২৬,

৯ কার্তিক ১৪৩৩

Radio Today News

সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতিতে পরিণত করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২১:৪০, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ২১:৪০, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

Google News
সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতিতে পরিণত করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি এবং দেশের ‘সফট পাওয়ার’ (সাংস্কৃতিক শক্তি) হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিরি বলেন, ‘শিল্প-সংস্কৃতি, গ্রামীণ কারুশিল্প, সংগীত, চলচ্চিত্র ও থিয়েটারকে মূলধারার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে যুক্ত করে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির নতুন উপাদান হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল শেরাটন বনানীতে অনুষ্ঠিত এক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত Creative Footprints শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রথাগত অর্থনৈতিক ভাবনায় শিল্প ও সংস্কৃতিকে সব সময় অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পেছনে রাখা হতো। কিন্তু বর্তমান সরকার এই ধারণা থেকে বেরিয়ে এসেছে।
 
সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী জানান, সরকারের একার পক্ষে এই খাতের দ্রুত বিকাশ সম্ভব নয়। এ জন্য নীতি ও অর্থায়নের পাশাপাশি বেসরকারি খাত এবং এনজিওগুলোর সঙ্গে শক্তিশালী অংশীদারি গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাজেটে এ খাতের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং বেসরকারি খাত থেকেও বড় ধরনের বিনিয়োগ আসতে শুরু করেছে।

তিনি আরো বলেন, দেশীয় কারুশিল্পী, চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, ডিজাইন আধুনিকীকরণ এবং ব্র্যান্ডিংয়ে সরকারি সহায়তা বাড়ানো হবে।

পাশাপাশি আমাজন, ইবে ও আলিবাবার মতো বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এসব পণ্যের বাজারজাতকরণে সহায়তা প্রদান করা হবে। এর ফলে প্রান্তিক শিল্পীদের কাজের সঠিক মূল্যায়ন ও নগদায়ন সম্ভব হবে, যা তাদের জীবনযাত্রার মান বাড়ানোর পাশাপাশি দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

সংগীত, থিয়েটার, চলচ্চিত্র ও হস্তশিল্পের ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থান তৈরির মাধ্যম উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকারি-বেসরকারি যৌথ প্রচেষ্টায় দেশে এক অভূতপূর্ব সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লব সাধিত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। এ ছাড়া অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এনামুল হক।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের