মঙ্গলবার,

১৬ এপ্রিল ২০২৪,

৩ বৈশাখ ১৪৩১

মঙ্গলবার,

১৬ এপ্রিল ২০২৪,

৩ বৈশাখ ১৪৩১

Radio Today News

রমজানের রহমতের ১০ দিনের করণীয়

প্রকাশিত: ১৬:৪২, ১৯ মার্চ ২০২৪

আপডেট: ১৬:৪৬, ১৯ মার্চ ২০২৪

Google News
রমজানের রহমতের ১০ দিনের করণীয়

দ্বিতীয় হিজরিতে পবিত্র কোরআনের আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ রমজানের রোজা ফরজ করেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রমজানের প্রথম দশক রহমতের, মধ্য দশক মাগফিরাতের আর শেষ দশক নাজাতের।’ প্রথম দশকে আল্লাহ বান্দার প্রতি রহমত নাজিল করেন। তাই রমজানের এই দশকে কপটতা না করে, মানুষের দোষত্রুটি অন্বেষণ না করে, ঈমানদারদের বেশি বেশি নেক আমল করতে হবে। 
রহমতের মাস রমজানজুড়ে পাপ কাজ থেকে বিরত থাকা এবং নেক কাজে নিয়োজিত থাকা অনেক সহজ। তাই রমজানের রহমতের দশকে আল্লাহর অনুগ্রহ পেতে রোজাদারের করণীয় হলো: ১. দিনের বেলা একনিষ্ঠতার সঙ্গে রোজা পালন করা। ২. জামাতে নামাজ আদায় করা। ৩. রাতের তারাবিহ ও তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া। ৪. কোরআন তিলাওয়াত করা। ৫. দান-সদকা করা। ৬. আল্লাহর জিকির করা, তাকওয়া অর্জনে সচেষ্ট হওয়া।
রমজানে রহমত বা অনুগ্রহ পাওয়ার ঘোষণা রয়েছে, ‘যে ব্যক্তি বিশ্বাসের সঙ্গে সওয়াব বা প্রতিদান পাওয়ার নিয়তে রমজান মাসে রোজা রাখবে, তার বিগত জীবনের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’
রোজাদার যেন একাগ্রচিত্তে মহান আল্লাহর ইবাদত করতে পারেন, সে জন্য রমজানের প্রথম রাতেই অর্থাৎ প্রথম দশকে শয়তানকে বন্দী করা হয়। হজরত আবু হুরায়রা (রা.)– এর বর্ণনায় আছে যে রাসুল (সা.) বলেছেন, রমজানের প্রথম রাতে শয়তান ও অবাধ্য জিনগুলোকে বন্দী করা হয়। জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করা হয়। জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়। 
জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়ার অর্থ হলো নেক আমল করা সহজ হয়ে যাওয়া। আর জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়ার অর্থ হলো বদ আমলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া। আর শয়তানকে শিকল দিয়ে বেঁধে ফেলার অর্থ হলো রমজানের আগে তারা স্বাধীনভাবে যথেচ্ছ বিচরণ করেছে এবং বান্দাকে কুমন্ত্রণা ও প্ররোচনা দিয়ে যে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে; রমজানের প্রথম রাতেই তাদের বন্দী করা হয়, যেন রোজাদারকে ধোঁকা ও প্রতারণা দিয়ে বিজ্ঞান্ত করতে না পারে। 

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের