জমজমের পানি ও গোলাপজল দিয়ে ধোয়া হলো পবিত্র কাবাঘর

বুধবার,

০১ জুলাই ২০২৬,

১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

বুধবার,

০১ জুলাই ২০২৬,

১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

Radio Today News

জমজমের পানি ও গোলাপজল দিয়ে ধোয়া হলো পবিত্র কাবাঘর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩:১০, ৩০ জুন ২০২৬

আপডেট: ২৩:১০, ৩০ জুন ২০২৬

Google News
জমজমের পানি ও গোলাপজল দিয়ে ধোয়া হলো পবিত্র কাবাঘর

দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ঐতিহ্য ও রীতি অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) হিজরি ১৪৪৮ সনের ১৫ মহররম ফজর নামাজের পর পবিত্র কাবা শরিফ ধৌতকরণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিবছরের মতো এবারও অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই পবিত্র কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

সৌদি আরবের বাদশাহ ও খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন সালমান বিন আবদুল আজিজের পক্ষে এই ধৌতকরণ অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন মক্কা অঞ্চলের ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স সৌদ বিন মিশআল বিন আবদুল আজিজ।

পবিত্র কাবাঘরের ভেতরের অংশ ধোয়ামোছার জন্য এবারও জমজমের পানি, খাঁটি গোলাপজল এবং অত্যন্ত মূল্যবান সুগন্ধি ‘উদ’, কস্তুরি ও আতর ব্যবহার করা হয়েছে। ধৌতকরণ প্রক্রিয়া শুরুর আগে ও পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কাবার ভেতরে নফল তাওয়াফ ও দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করেন।

প্রথমে সুগন্ধিযুক্ত জমজমের পানি কাবার মেঝেতে ঢালা হয় এবং ঐতিহ্যবাহী নিয়ম অনুযায়ী খেজুরপাতা দিয়ে তা ধুয়ে পরিষ্কার করা হয়। এরপর মেঝে ও দেওয়ালগুলো নরম সাদা কাপড় এবং বিশেষ মানের টিস্যু দিয়ে নিখুঁতভাবে মুছে ফেলা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লাগে এবং এ সময় কাবার দরজা খোলা রাখা হয়। কাবার পবিত্রতা রক্ষায় মহররমের শুরুতে নতুন গিলাফ পরানোর পর ১৫ তারিখে এই ধোয়ার কাজ সম্পন্ন করা হলো।

মূলত মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র সুন্নত অনুসরণে এই নিয়মটি প্রতিবছর পালন করা হয়ে থাকে। ৬৩০ খ্রিস্টাব্দে মক্কা বিজয়ের পর রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে আল্লাহর ঘর ধৌত করেছিলেন।

বিশেষ এই অনুষ্ঠানে মসজিদুল হারামের গ্র্যান্ড ইমাম শায়খ আবদুর রহমান আল-সুদাইস, সৌদি রাজপরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব এবং বিশেষ জরুরি ও হজ নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ধৌতকরণ চলাকালীন কাবার চারপাশে বিশেষ নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে কয়েক স্তরের কঠোর নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের