প্রায় আড়াই বছর পর ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে ফিরেছেন নেইমার জুনিয়র। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নামার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি এই তারকা ফরোয়ার্ড। ম্যাচ শেষে তিনি জানান, জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তনের অনুভূতিতে ড্রেসিংরুমে একা বসে কেঁদেছেন।
মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ব্রাজিল। তবে ম্যাচের ফলের চেয়েও আলোচনায় উঠে এসেছে ৯৮১ দিন পর সেলেসাওদের জার্সিতে নেইমার জুনিয়রের প্রত্যাবর্তন।
পায়ের পেশির চোটের কারণে চলতি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম দুই ম্যাচে মরক্কো ও হাইতির বিপক্ষে খেলতে পারেননি ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে, যখন দ্বিতীয়ার্ধে মাথেউস কুনিয়ার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন তিনি।
ম্যাচ শেষে ফিফার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় নেইমার বলেন, “কোনও সন্দেহ ছাড়াই বলবো, এটি আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম বিশেষ একটি দিন। সেলেসাওদের হয়ে খেলা প্রতিটি ফুটবলারের স্বপ্ন, আর আমি আবারও সেই সুযোগ পেয়েছি। দীর্ঘদিন আমি জাতীয় দল থেকে দূরে ছিলাম। এই জার্সিটা আমি প্রচণ্ড মিস করেছি এবং মাঠে ফিরতে মরিয়া হয়ে ছিলাম।”
জাতীয় দলে ফেরার আবেগের কথা জানাতে গিয়ে নেইমার বলেন, “আজ মাঠে নামার পর এক বিশাল স্বস্তি অনুভব করেছি। আমি একটু বেশিই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম এবং খেলা শেষে একা একাই কেঁদেছি। কারণ এই চেনা অনুভূতিগুলো আরও একবার ফিরে পাওয়া, জীবনকে নতুন করে উপভোগ করার আনন্দটাই অন্যরকম।”
তিনি আরও বলেন, “আমি প্রতিটি ব্রাজিলিয়ান ভক্তের কাছে কৃতজ্ঞ যারা আমার জন্য প্রার্থনা করেছেন। বিশেষ করে আমার পরিবার ও বন্ধুদের ধন্যবাদ জানাই।”
নেইমারের প্রত্যাবর্তন শুধু সমর্থকদের জন্যই নয়, ব্রাজিল দলের জন্যও বড় স্বস্তির খবর। অভিজ্ঞ এই তারকার ফেরা বিশ্বকাপের বাকি পথচলায় সেলেসাওদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

