ঈদের আগে দাম বেড়েছে সব ধরনের মুরগির। সোনালি ও লেয়ার মুরগি কেজিতে বেড়েছে ৫০ টাকা আর বয়লার বেড়েছে ৩০ টাকা। তবে দাম বাড়েনি গরু ও খাসির মাংসের৷ আর কাঁচা সবজির দাম ওঠানামা করছে৷ রোজার শেষের দিকে মানুষ ঢাকা ছেড়ে যাওয়ায় বাজারে ক্রেতাদের ভিড় কিছুটা কম।
রমজানের শেষের দিকে মানুষ রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে। এ কারণে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি কিছুটা কমছে। শুক্রবারের কারওয়ান বাজারে কম ভিড় দেখা গেছে৷
ঈদকে সামনে রেখে গরম আবহাওয়া বাড়ছে আর কিছুটা গরম হয়েছে মুরগির বাজার। সব ধরনের মুরগির দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা করে। সোনালি মুরগীর দাম এক লাফে ছুঁয়েছে ৩৫০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিলো ৩০০ টাকার নিচে৷ বয়লার ২০০ টাকা ছাড়িয়ে দাম হাঁকাচ্ছে ২৪০ টাকা। কেজিতে বেড়েছে ৩০ টাকা। আর লেয়ার মুরগীর দামও ৩০০ টাকা।
বিক্রেতারা বলছেন, ঈদকে সামনে রেখে মুরগীর চাহিদা বেড়েছে। চলতি সপ্তাহে দাম বাড়ছে। আরও বাড়তে পারে।
মুরগীর দাম হঠাৎ কেনো ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেড়ে গেলো, যা অস্বাভাবিক বলছেন ক্রেতারা।
এদিকে, কাঁচা বাজার পরিস্থিতি তেমন পরিবর্তন নেই। কিছু সবজির দাম কমেছে, কিছু বেড়েছে আর কিছু সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
শীতকালীন সবজি হলেও ফাগুনেও সিমের কেজি ৫০ টাকা । দাম বাড়েনি রসুনের, বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। দাম কমেছে লেবুর হালির। ১০০ টাকা থেকে নেমে লেবুর রসের চাহিদা কমে ৮০ টাকা পাইকারি তবে খুচরা বাজারে একটু বেশি। ইফতার কিংবা সেহরির জন্য সালাদের জন্য শসা একই রকম দামে বিক্রি হচ্ছে। কেজি দিচ্ছে ৫০ টাকায়। কমেছে গাজরের দামও। তবে সাদা ফুলের সবজি ফুলকপির দাম ১০ টাকা বেড়ে ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন দোকানদারা। করলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায় কেজি।
সবজি কিনতে আসা ক্রেতারা বলছেন, রোজার শেষের দিকে কাঁচা বাজারে দাম ওঠানামা করছে৷
কাঁচা মরিচের তেজ কিছুটা কমেছে। ১২০ টাকা থেকে নেমে কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০টাকায়। ভেন্ডি নতুন সবজি হওয়ায় কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০টাকায়৷ বেগুনের দামেও আগুন কম। ৮০ টাকা কেজি বিক্রি করছে। ঈদের সময় এগিয়ে আসায় ক্রেতা কম, দাবি বিক্রেতাদের৷
ঈদকে সামনে রেখে চাহিদা বেড়েছে গরু ও খাসির মাংসের৷ গরুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৬০ থেকে ৭৮০ টাকায়৷ খাসির মাংসের কেজি ১ হাজার ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রি কমেছে মাছের।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

