দেবের পর এবার এসআইআর শুনানিতে ডাক পড়ল যাদবপুরের প্রাক্তন তৃণমূল সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তীর। ভোটার তালিকায় নাম বা তথ্য সংক্রান্ত গরমিল সংশোধনের জন্যই এই ‘স্পেশাল ইনকোয়ারি রিপোর্ট’ বা এসআইআর শুনানি।
মিমির ভোটার কার্ডে বা তালিকায় কিছু তথ্যের অমিল ধরা পড়েছে। সেই কারণেই নিয়মমাফিক তাকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে তথ্য যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কসবার নতুন বাজার এলাকায় যে প্রশাসনিক অফিস রয়েছে, সেখানেই মিমিকে আগামী ৩১ জানুয়ারি হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।
টলিউডে ‘এসআইআর’ মৌসুমে গত কয়েক দিনে টলিউডের একাধিক তারকার কাছে এই শুনানির চিঠি পৌঁছেছে। এর আগে অভিনেতা দেব এবং অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুণ্ডুর ক্ষেত্রেও একই বিষয় দেখা গিয়েছিল। শনিবার জানা গিয়েছিল অভিনেত্রী মানালি দে-র ভোটার কার্ডে বাবার নামের বানান ভুলের কারণে তাকে ডাকা হয়েছে।
এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন মিমি।
সাংসদ পদ ছাড়ার পর মিমি এখন পুরোপুরি অভিনয়ে মন দিয়েছেন। একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে মিমি অবশ্যই শুনানিতে অংশ নিয়ে ভোটার কার্ডের ত্রুটি শুধরে নেবেন জানিয়েছেন নিজেই।
তিনি বলেছেন, ‘আমি অবশ্যই ৩১ তারিখ শুনানিতে যাব।
যা যা ডকুমেন্ট নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সবকটাই নিয়ে যাব।’
সামনেই পুরভোট বা উপনির্বাচনের মতো বিষয় থাকলে নির্বাচন কমিশন সাধারণত ভোটার তালিকা নিখুঁত করতে এই ধরণের শুনানি করে থাকে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি তারকাদেরও এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় যাতে ভোটার তালিকায় কোনো ভুয়া বা ভুল তথ্য না থাকে।
মিমি সাংসদ পথ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে, তারপর থেকে সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে রয়েছেন অভিনেত্রী।
তিনি জানিয়েছেন, পদ তিনি ছেড়ে এসেছেন। তাই রাজনীতিতে ফেরার কোনও ইচ্ছাই নেই।
কাজের দিক দিয়ে গত ২৩ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে মিমির 'ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল'।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

