জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে চীনের প্রতিনিধি বলেছেন, মানবাধিকার নিয়ে অন্য দেশকে উপদেশ দেওয়ার আগে জাপানকে তার অতীতের অপরাধের জন্য আত্মসমালোচনা ও দায় স্বীকার করতে হবে।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ৬১তম অধিবেশনে চীনের প্রতিনিধি ওয়াং নিয়ান বুধবার এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, জাপানসহ ফিনল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মতো কয়েকটি দেশ পরিষদের মঞ্চ অপব্যবহার করে চীনের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।
ওয়াং বলেন, ‘যেসব দেশ অন্যদের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বক্তৃতা দিতে চায়, তাদের নিজেদের মানবাধিকার রেকর্ড কলঙ্কময়। জাপান তার ঐতিহাসিক অপরাধ নিয়ে কোনো প্রকৃত আত্মসমালোচনা করেনি। একসময় সামরিকতাবাদের পথে হেঁটে তারা আগ্রাসী যুদ্ধ চালায় এবং মানবতার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ সংঘটিত করে, যা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে ব্যাপক দুর্ভোগ ডেকে আনে। অথচ জাপান সামান্যতম অনুশোচনাও দেখায়নি।’
তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যৌন নিপীড়নের শিকার তথাকথিত ‘কমফোর্ট উইমেন’ ইস্যু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের উদ্বেগের বিষয়। চীন, গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়া, কম্বোডিয়া ও অন্যান্য দেশের ভুক্তভোগী নারীরা এখনও ন্যায়বিচার পাননি।
চীনা প্রতিনিধি জাপানকে তার নিজ দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখার আহ্বান জানান।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

