ইরানে হামলার নিন্দা করলেও যুক্তরাষ্ট্রের নাম নেননি জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ রোববার বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন, সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন, বেসামরিক মানুষের জীবন বিপন্ন করা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারী যেকোনো হামলার দ্ব্যর্থহীন নিন্দা জানাই।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাব হিসেবে মার্কিন ঘাঁটি থাকা প্রতিবেশীদেশগুলোতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাও নিন্দা করেছেন জামায়াত আমির। তিনি বলেছেন, উপসাগরীয় ও আঞ্চলিক ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের পাল্টা হামলাকেও অকার্যকর ও পরিস্থিতি অবনতিকারী বলে মনে করি। এ ধরনের পদক্ষেপ অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত। সংঘাতের বিস্তার নিরীহ মানুষের দুর্ভোগই বাড়াবে।
পরিস্থিতির জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করলেও, যুক্তরাষ্ট্রের নাম নেননি বিরোধীদলীয় নেতা। বিবৃতিতে বলেছেন, ইসরায়েলের অস্থিতিশীলতামূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। এসব পদক্ষেপ উত্তেজনা বৃদ্ধি করছে, সংলাপের পথ রুদ্ধ করছে এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে দুর্বল করছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদ করা হয়নি শফিকুর রহমানের বিবৃতিতে। তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইন ও স্বীকৃত আইনি কাঠামোর তোয়াক্কা না করে জাতীয় নেতা ও রাষ্ট্রপ্রধানদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে হত্যার যে প্রবণতা ক্রমেই স্বাভাবিক হয়ে উঠছে, তা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিপজ্জনক নজির স্থাপন করে, বৈশ্বিক নীতিমালা দুর্বল করে এবং দীর্ঘস্থায়ী বিশৃঙ্খলা ও আইনহীনতার দিকে ঠেলে দিতে পারে।
সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শন করে সংলাপ ও কূটনীতির পথে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত আমির। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন, জরুরি ও সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কনস্যুলার সহায়তা, সুরক্ষা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

