চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে ফ্যাশন, সংস্কৃতি, উদ্ভাবন ও টেক্সটাইল খাতে পারস্পরিক বিনিময় আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাও ফেং। সোমবার ঢাকায় আয়োজিত একটি ফ্যাশন শো পরিদর্শন শেষে সিএমজি বাংলাকে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।
ফ্যাশন শো দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমি এইমাত্র একটি চমৎকার ফ্যাশন শো দেখলাম। বিজিএমইএতে এটাই আমার প্রথম আসা। আমি মনে করি, এ ধরনের বিনিময় আরও বেশি হওয়া উচিত।”
তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও অধ্যাপকদের চীন সফরের সুযোগ তৈরি হলে দুই দেশের মধ্যে সংস্কৃতি, ফ্যাশন ও টেক্সটাইল বিষয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর হবে। একই সঙ্গে দুই দেশের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
লি শাও ফেং আরও বলেন, “বিএফটি ও বিজিএমইএর মেধাবী শিক্ষার্থী ও অধ্যাপকেরা চীন সফর করবেন—এটা আমি আশা করি। আমাদের সংস্কৃতির মধ্যে আরও বেশি বিনিময় হওয়া প্রয়োজন। উদ্ভাবন, ফ্যাশন ও টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই বিনিময় আরও বাড়ানো যেতে পারে।”
তিনি মনে করেন, দুই দেশের মানুষের চিন্তা, ধারণা ও অভিজ্ঞতার পারস্পরিক বিনিময় নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করতে পারে। এ ধরনের বিনিময় নতুন পণ্য উদ্ভাবন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
চীন ও বাংলাদেশের ফ্যাশন ও টেক্সটাইল খাতে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের তরুণ প্রজন্মকে আরও কাছাকাছি আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় অনুষ্ঠানে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

