যাদের জন্য ড্রাগন ফল খাওয়া নিরাপদ নয়

বৃহস্পতিবার,

২০ আগস্ট ২০২৬,

৫ ভাদ্র ১৪৩৩

বৃহস্পতিবার,

২০ আগস্ট ২০২৬,

৫ ভাদ্র ১৪৩৩

Radio Today News

যাদের জন্য ড্রাগন ফল খাওয়া নিরাপদ নয়

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৫:১৩, ২০ আগস্ট ২০২৬

Google News
যাদের জন্য ড্রাগন ফল খাওয়া নিরাপদ নয়

আমাদের দেশে এখন সারাবছরই ড্রাগন ফল পাওয়া যায়। এ ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফ্রুটে ৬০ কিলোক্যালরি শক্তি, ১৩ থেকে ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৩ গ্রাম ফাইবার এবং ১ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। এত পুষ্টিগুণ থাকলেও ড্রাগন ফল সবার জন্য নিরাপদ নয়। এমনটাই জানানো হয়েছে নিউজ১৮-এর একটি প্রতিবেদনে। 

যাদের ড্রাগন ফলে অ্যালার্জি রয়েছে, তারা এই ফলটি একেবারেই খাবেন না। ড্রাগন ফল খাওয়ার পর কারো কারো শরীরে ফুসকুড়ি, চুলকানি দেখা দেয়। ঠোঁট বা জিভ ফুলে যাওয়া, বমির মতো লক্ষণও দেখা দেয়। ড্রাগন ফল খেয়ে এসব লক্ষণের পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট শুরু হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডায়াবেটিকরা বেশি ড্রাগন ফল খাবেন না। বিশেষ করে যারা ব্লাড সুগারের ওষুধ খান বা ইনসুলিন ব্যবহার করেন, তারা ড্রাগন ফ্রুট খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা অতিরিক্ত কমে যেতে পারে। তাই ডায়াবেটিস থাকলে নিজের ডায়েট চার্ট অনুযায়ী কতটা ড্রাগন ফ্রুট খাওয়া নিরাপদ, তা চিকিৎসক বা ডায়েটিশিয়ানের কাছ থেকে জেনে নিন।

যাদের কিডনির সমস্যা রয়েছে, তারা কম ড্রাগন ফ্রুট খান। কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। তখন ফলের মধ্যে থাকা পটাশিয়ামের পরিমাণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে কিডনির রোগীদের ড্রাগন ফ্রুট সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলতে হবে, এমনটা নয়। কিডনির রোগের পর্যায়, রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা এবং কোন কোন ওষুধ খাচ্ছেন, তা বিবেচনা করে চিকিৎসক বলে দেবেন কতটা ড্রাগন ফ্রুট খেতে পারেন।

গর্ভবতী নারী এবং স্তন্যদানকারী মায়েরা ড্রাগন পরিমাণমতো খান। একসঙ্গে খুব বেশি ফল খাওয়া ঠিক নয়। কোনো শারীরিক জটিলতা না থাকলে, সুস্থ মানুষ নিশ্চিন্তে ড্রাগন ফল খেতে পারেন।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের