ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে লাল-হলুদ ক্যাপসিকাম

মঙ্গলবার,

১৮ আগস্ট ২০২৬,

২ ভাদ্র ১৪৩৩

মঙ্গলবার,

১৮ আগস্ট ২০২৬,

২ ভাদ্র ১৪৩৩

Radio Today News

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে লাল-হলুদ ক্যাপসিকাম

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২৩:১৭, ১৭ আগস্ট ২০২৬

Google News
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে লাল-হলুদ ক্যাপসিকাম

লাল ও হলুদ ক্যাপসিকাম শুধু খাবারের স্বাদ ও রং বাড়ায় না, এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ উপাদান শরীরের কোষকে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় এসব রঙিন ক্যাপসিকাম রাখা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।

ক্যাপসিকাম সবুজ থেকে হলুদ ও লাল হওয়ার সময় এতে থাকা বিভিন্ন উপকারী উদ্ভিজ্জ উপাদানের পরিমাণ বাড়ে। লাল ক্যাপসিকামে ক্যাপসানথিন, ক্যাপসোরুবিন ও লাইকোপেনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। অন্যদিকে হলুদ ক্যাপসিকামে লুটেইন ও ভায়োলাক্সান্থিনের মতো উপাদান পাওয়া যায়।

এসব অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে অক্সিডেটিভ চাপ কমাতে এবং কোষকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। কোষের ক্ষতি কমানো দীর্ঘমেয়াদি সুস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু ক্যাপসিকাম খেলে ক্যান্সার প্রতিরোধ বা চিকিৎসা করা যায় না। এটি স্বাস্থ্যকর ও বৈচিত্র্যময় খাদ্যতালিকার অংশ হিসেবেই উপকারী।

লাল ও হলুদ ক্যাপসিকামের উপকারিতা
লাল ক্যাপসিকামে থাকা বিভিন্ন ক্যারোটিনয়েড শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষায় সহায়তা করতে পারে। হলুদ ক্যাপসিকামে থাকা লুটেইন ও ভায়োলাক্সান্থিনও শরীরের জন্য উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। তাই খাদ্যতালিকায় শুধু একটি রঙের ক্যাপসিকাম না রেখে লাল ও হলুদ দুটিই রাখা যেতে পারে।

যেভাবে খেলে পুষ্টিগুণ বেশি পাওয়া যায়
ক্যাপসিকাম বেশি সময় বা অতিরিক্ত তাপে রান্না করলে এতে থাকা কিছু পুষ্টি উপাদান, বিশেষ করে ভিটামিন সি, কমে যেতে পারে। তাই কাঁচা সালাদ, হালকা ভাপে রান্না বা অল্প তেলে দ্রুত স্টার-ফ্রাই করে খাওয়া ভালো। ক্যারোটিনয়েড শরীরে শোষণের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর চর্বি সহায়ক হতে পারে। তাই অল্প পরিমাণ অলিভ অয়েল বা সরিষার তেলের সঙ্গে ক্যাপসিকাম খাওয়া যেতে পারে।

সাদা অংশ ফেলে দেবেন না
ক্যাপসিকাম কাটার সময় ভেতরের সাদা অংশ পুরোপুরি ফেলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এতে বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ উপাদান থাকতে পারে। শক্ত বীজ ও কোর বাদ দিয়ে বাকি অংশ খাবারে ব্যবহার করা যায়।

ডাল-ছোলার সঙ্গে খেতে পারেন
ক্যাপসিকামে থাকা ভিটামিন সি উদ্ভিজ্জ উৎসের আয়রন শরীরে শোষণে সহায়তা করে। তাই ডাল, ছোলা বা পালং শাকের মতো খাবারের সঙ্গে লাল ও হলুদ ক্যাপসিকাম যোগ করা যেতে পারে।

প্রতিদিনের খাবারে লাল ও হলুদ ক্যাপসিকাম রাখা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের সহজ একটি উপায়। তবে ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য শুধু একটি খাবারের ওপর নির্ভর না করে নিয়মিত শাকসবজি, ফল, পূর্ণ শস্য ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করাও জরুরি।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের