দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের ৮১তম বার্ষিকীতে ইয়াসুকুনী যুদ্ধ মন্দির সংক্রান্ত জাপানের নেতিবাচক পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে চীন। একইসঙ্গে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে জাপানের কাছে প্রতিবাদ জানিয়ে কূটনৈতিক নোট পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র।
শনিবার এক প্রেস বিবৃতিতে ওই মুখপাত্র বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান আগ্রাসী যুদ্ধ শুরু করেছিল এবং মানবতাবিরোধী ভয়াবহ অপরাধ সংঘটিত করেছিল।
মুখপাত্র বলেন, এটি আসলে যুদ্ধাপরাধীদের একটি মন্দির, কারণ এখানে আগ্রাসী যুদ্ধের জন্য দায়ী ১৪ জন দণ্ডিত ক্লাস-এ যুদ্ধাপরাধীকে সম্মান জানানো হয়।
মুখপাত্র আরও বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে পাল্টে দেওয়া, জাপানের যুদ্ধাপরাধ ধামাচাপা দেওয়া, ঐতিহাসিক সত্যকে বিকৃত করা এবং দ্রুত সামরিকীকরণের পথ সুগম করার যে প্রকৃত উদ্দেশ্য জাপানি রাজনীতিবিদদের রয়েছে, তা কোনো অজুহাত দিয়েই ঢাকা যাবে না। এটি ঐতিহাসিক ন্যায়বিচারের প্রতি চরম অবমাননা, সভ্যতার মৌলিক আদর্শের প্রতি চ্যালেঞ্জ এবং যুদ্ধোত্তর আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার বিরুদ্ধে এক স্পষ্ট উসকানি।
তিনি উল্লেখ করেন, এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অপ্রতিরোধ্য সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
মুখপাত্র জোর দিয়ে বলেন, আমরা জাপানি পক্ষকে তাদের আগ্রাসনের ইতিহাস নিয়ে গভীরভাবে আত্মোপলব্ধি করতে, সামরিকবাদের সঙ্গে সম্পূর্ণ সম্পর্ক ছিন্ন করতে এবং সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের মাধ্যমে এশীয় প্রতিবেশী ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের আস্থা অর্জন করার আহ্বান জানাচ্ছি। সূত্র: সিএমজি
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

