চীনের সেবাখাতের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক সেপ্টেম্বরে ৫০.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় ০.৯ শতাংশ পয়েন্ট বেশি। বুধবার চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং চায়না ফেডারেশন অব লজিস্টিকস অ্যান্ড পারচেজিংয়ের যৌথভাবে প্রকাশিত তথ্যে এসব কথা বলা হয়। এতে সেবাখাতে বাজার কার্যক্রম ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
উৎপাদননির্ভর নয় এমন খাতের প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তিগুলো তুলে ধরে জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রধান পরিসংখ্যানবিদ হুও লিহুই বলেন, ‘কয়েকটি খাতে শক্তিশালী কার্যক্রম দেখা গেছে। খাত-ভিত্তিক হিসাবে টেলিযোগাযোগ, রেডিও ও টেলিভিশন, স্যাটেলাইট ট্রান্সমিশন সেবা, মুদ্রা ও আর্থিকসেবা এবং বীমাখাতের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক ৫৫ শতাংশের ওপরে রয়েছে। এসব খাত তুলনামূলকভাবে উচ্চ সমৃদ্ধির পর্যায়ে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পরিমাণও তুলনামূলক দ্রুত গতিতে বাড়ছে।‘
সেপ্টেম্বরে নির্মাণখাতও এর ঐতিহ্যবাহী ব্যস্ত মৌসুমে উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, খাতটির ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক মাস-ভিত্তিক ৩.৪ শতাংশীয় পয়েন্ট বেড়ে ৫০.৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা চলতি বছরের এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ।
চায়না ফেডারেশন অব লজিস্টিকস অ্যান্ড পারচেজিংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্য হুই বলেন, ‘সেপ্টেম্বরে অ-উৎপাদন খাতে সরবরাহ ও চাহিদা একইসঙ্গে উন্নত হয়েছে। মূল্য হস্তান্তরব্যবস্থা মসৃণ ছিল, ভোগ বেড়েছে, অবকাঠামো সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে এবং আর্থিক খাত শক্তিশালী সহায়তা দিয়েছে। একইসঙ্গে অভ্যন্তরীণ প্রবৃদ্ধির গতি জোরদার হয়েছে। এসব বিষয় চতুর্থ প্রান্তিকে অর্থনীতির স্থিতিশীল ও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির জন্য শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে।‘
তিনি আরও বলেন, ‘চতুর্থ প্রান্তিকের দিকে তাকালে দেখা যায়, স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকরণে গৃহীত নীতিগুলোর প্রভাব ক্রমেই প্রকাশ পাচ্ছে। এর সঙ্গে বছরের শেষভাগের ব্যস্ত মৌসুমের প্রভাব যুক্ত হলে বিনিয়োগ ও ভোগের চাহিদা আরও দ্রুত পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ফলে অ-উৎপাদন খাত স্থিতিশীল ও ইতিবাচক উন্নয়নের ধারা বজায় রাখবে।‘
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

