হেঙ্গাও নামে ইরানে কাজ করা একটি মানবাধিকার সংস্থা জানিয়েছে, বিক্ষোভের সময় আটক এক যুবকের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে দেশটির সরকার। গত বৃহস্পতিবার ২৬ বছর বয়সী ওই যুবককে আটক করা হয়েছিল।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ওই যুবকের নাম এরফান সুলতানি। তাঁর পরিবারকে এরই মধ্যে জানানো হয়েছে, বুধবার এরফানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। তবে বিচার কবে হয়েছে বা তাঁর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আনা হয়েছে, সে বিষয়ে পরিবারকে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
হেঙ্গাও অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান রাইটস- এর প্রতিনিধি আউয়ার শেখি বিবিসিকে বলেছেন, ‘আমরা এত দ্রুত কোনো মামলার নিষ্পত্তি হতে দেখিনি। মানুষকে দমন করতে ও ভয় ছড়াতে সরকার তাদের জানা সব কৌশলই ব্যবহার করছে।’
বিবিসির কূটনৈতিক প্রতিবেদক ক্যারোলিন হাওলি জানিয়েছেন, ইন্টারনেট বন্ধ থাকার সময় ইরানে যে রক্তপাত ঘটেছে, সেটির প্রকৃত পরিসর জানতে আরও সময় লাগতে পারে। যারা দেশের বাইরে ফোন করতে পারছেন, তারা বিদেশে থাকা স্বজনদের ভয়াবহ প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের কথা জানাচ্ছেন।
কাস্পিয়ান সাগরের উপকূলবর্তী শহর রাশত এর এক বাসিন্দার বর্ণনা অনুযায়ী, শহরটি আর চেনার মতো অবস্থায় নেই। চারদিকে শুধু আগুন আর পোড়া চিহ্ন।
বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর সরাসরি গুলি করার পাশাপাশি ইরানজুড়ে গণগ্রেপ্তার শুরু হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ইরানের এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় ২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

