বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এই ঘোষণা দেয়া হয়। এর মাধ্যমে ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যোগদানের পর এই প্রথম সংস্থাটির বাইরে গেল দেশটি।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল যে, করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় ডব্লিউএইচও ব্যর্থ হয়েছে এবং সংস্থাটি নির্দিষ্ট কিছু সদস্য রাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রভাবে প্রভাবিত।
মার্কিন সিনেটর মার্কো রুবিও এবং রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির সময় সংস্থাটির ‘ব্যর্থতার’ কারণেই এই প্রত্যাহার। তারা আরও জানান, এখন থেকে ডব্লিউএইচও-তে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের অর্থায়ন বন্ধ থাকবে।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানিয়েছেন, আইনি কিছু প্রক্রিয়া বাকি থাকলেও কার্যত এখন থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোনো কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র অংশগ্রহণ করবে না।
তিনি বলেন, আমরা চাই বিশ্বের প্রতিটি দেশের মতো যুক্তরাষ্ট্রও এই সংস্থার পূর্ণ অংশীদার হিসেবে থাকুক। কারণ স্বাস্থ্য এমন একটি বিষয় যা কোনো সীমানা বা ভূখণ্ড মানে না।
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে সুর নরম ট্রাম্পের, শুল্ক ও সামরিক হুমকি প্রত্যাহারগ্রিনল্যান্ড নিয়ে সুর নরম ট্রাম্পের, শুল্ক ও সামরিক হুমকি প্রত্যাহার
ডব্লিউএইচও প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস চলতি মাসের শুরুর দিকে জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন বন্ধ হওয়ায় উদ্ভূত ঘাটতি মেটাতে সংস্থাটি ইতিমধ্যে বেশ কিছু ক্ষেত্রে বাজেট সংকুচিত করেছে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

