রুশ তেল কিনতে ভারতকে ৩০ দিনের ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

শুক্রবার,

০৬ মার্চ ২০২৬,

২২ ফাল্গুন ১৪৩২

শুক্রবার,

০৬ মার্চ ২০২৬,

২২ ফাল্গুন ১৪৩২

Radio Today News

রুশ তেল কিনতে ভারতকে ৩০ দিনের ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:৩৪, ৬ মার্চ ২০২৬

Google News
রুশ তেল কিনতে ভারতকে ৩০ দিনের ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার আশঙ্কার মধ্যে ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনা অব্যাহত রাখতে ৩০ দিনের ‘অস্থায়ী’ ছাড় দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

শুক্রবার (৬ মার্চ) এ ঘোষণা দেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, এই ছাড়ের ফলে রাশিয়া বড় ধরনের আর্থিক সুবিধা পাবে না, কারণ এটি কেবল সমুদ্রে আটকে থাকা তেল সংক্রান্ত লেনদেনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহ পর্যন্ত এশিয়ার জলসীমায় প্রায় ৯৫ লাখ ব্যারেল রুশ তেল জাহাজে করে অবস্থান করছিল। যুক্তরাষ্ট্রের এই ছাড় ৫ মার্চের আগে জাহাজে তোলা রুশ জ্বালানি পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এবং ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন সময় রাত ১২টা ১ মিনিটে এর মেয়াদ শেষ হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ কমাতেই ভারতকে এই সাময়িক ছাড় দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আশা প্রকাশ করা হয়েছে যে ভবিষ্যতে ভারত যুক্তরাষ্ট্রের তেল আমদানি বাড়াবে।

সম্প্রতি ইরান দাবি করেছে, তারা গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। ইরান ও ওমানের মাঝখানে অবস্থিত এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহন হয়। ফলে এটি বন্ধ হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে ভারত জানিয়েছে, তাদের কৌশলগত তেল মজুত প্রায় ৭৪ দিন দেশের চাহিদা মেটাতে সক্ষম। দেশটির জ্বালানি মন্ত্রী হার্দিপ সিং পুরি পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় এ তথ্য জানান।

কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল, ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে ভারত সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। অন্যদিকে রাশিয়া বলেছে, ভারতের পক্ষ থেকে তেল কেনা কমানোর কোনো ইঙ্গিত তারা পায়নি। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাকারোভা বলেন, রাশিয়ার জ্বালানি কেনা দুই দেশের জন্যই লাভজনক এবং এটি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের