যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের মন্তব্য- ইরোনের ভেতরে “আরও বৃহত্তর ও ধারাবাহিক ঢেউ আসছে”। তার এই কথার সঙ্গে মিল রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের আগের এক মূল্যায়নের, যিনি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযানগুলোর দায়িত্বে আছেন।
তিনি বলেন, “আমাদের বি-২ বোমারু ও বি-১ বোমারু বিমান ইরানের গভীরে অবস্থিত বহু ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনার বিরুদ্ধে বাধাহীন, নিখুঁত হামলা চালিয়েছে”।
“এবং ঠিক গতরাতেই একটি বি-৫২ বোমারু বহর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল পোস্টে হামলা চালিয়েছে”।
এ অবস্থায় ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যত পুরোপুরি অচল হয়ে যাওয়ায় এবং তাদের বিমানবাহিনী অকার্যকর হয়ে পড়ায় স্টেলথ প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা কমে গেছে।
এর মানে হলো বৃহত্তর বোমারু বিমান বি-৫২ ইরানের আরো গভীর অভ্যন্তরে নির্বিঘ্নে বেশি সংখ্যক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারবে।
কুপার বলেন, ইরান এর জবাবে ৫০০-র বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
তেহরানের ঠিক কতসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে তা জানা না গেলেও, ২০২২ সালে এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন জেনারেল এই সংখ্যা তিন হাজারের বেশি বলে উল্লেখ করেছিলেন—এবং এর মধ্যে দেশটির ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত অন্তর্ভুক্ত নয়।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

