জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধি এবং নির্বাচনবিরোধী কার্যক্রমের কারণে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে ঝুঁকি দেখা দিয়েছে বলে সতর্ক করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
রোববার টিআইবির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশন তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে দুর্বলতার পরিচয় দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর চাপের মুখে কমিশন অনেক ক্ষেত্রে দৃঢ় অবস্থান নিতে পারছে না। প্রচারণাসহ নির্বাচনের প্রতিটি স্তরে প্রার্থীরা আচরণবিধি ব্যাপকভাবে লঙ্ঘন করছে। প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় কোন ব্যয়সীমা মানছেন না। এতো অনিয়মেও ইসি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না।”
সংস্থাটির পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে পরিবেশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠলেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) পরিস্থিতির দায় এড়িয়ে যাচ্ছে।
এদিকে দেশের ৫৯ শতাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়া হয়নি বলেও সংস্থাটি অভিযোগ করে।
এদিকে বাংলাদেশ টাইমসের কার্যালয় থেকে ২১ জন কর্মীকে তুলে নেয়া বাংলাদেশের সাংবাদিকতার জন্য নেতিবাচক এবং মধ্যযুগীয় পন্থা মন্তব্য করে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান ড. ইফতেখারুজ্জামান।
তিনি বলেন, “আমি জোর প্রতিবাদ এবং উৎকণ্ঠা প্রকাশ করছি। কোনো প্রকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া রাতের বেলা একটি প্রতিষ্ঠানের সব কর্মীকে তুলে নেওয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। যে যুক্তিতেই হোক না কেন, এটি বাংলাদেশের মুক্ত সাংবাদিকতার জন্য অত্যন্ত নেতিবাচক ও সহিংসতার দৃষ্টান্ত।”
দেড় বছরও উপদেষ্টাদের সম্পদের হিসেবে দিতে না পারাটা নেতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলেও মনে করেন টিআইবি প্রধান।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

