চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার

মঙ্গলবার,

১৪ জুলাই ২০২৬,

৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

মঙ্গলবার,

১৪ জুলাই ২০২৬,

৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

Radio Today News

চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২০:২০, ১৪ জুলাই ২০২৬

Google News
চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার

২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই সারা দেশে ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে দেশব্যাপী সমন্বিত পরিবার শুমারি পরিচালনা করে আধুনিক ডাটাবেজ তৈরির কাজ শুরু হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৪তম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনের পক্ষে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় দেশের ৪৪ জেলার ৫৫ উপজেলায় তিন ধাপে ৫৬টি ইউনিটে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ৬৯ হাজার ৩৮৭টি নারী-প্রধান পরিবারের নামে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভাতা বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, চলতি অর্থবছরের শুরুতেই সারা দেশে সমন্বিত পরিবার শুমারি পরিচালনা করা হবে। এর আওতায় ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। শুমারির তথ্যের ভিত্তিতে প্রক্সি মিনস টেস্ট স্কোর ব্যবহার করে প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরের মধ্যে ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।

এ লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং ‘ফ্যামিলি কার্ড শুমারি নির্দেশিকা, ২০২৬’ জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের পর গেজেট প্রকাশের জন্য মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদফতরে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা-১৮ আসনের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, পাইলট পর্যায়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কড়াইল, সাততলা, ভাষানটেক, অলিমিয়ার টেক ও বাগানবাড়ী বস্তি এলাকার (১৯, ৮ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের) কিছু অংশে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উত্তরা ও সংলগ্ন এলাকায় পরিবার শুমারি শেষে চলতি অর্থবছরেই ব্যাপকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। শুমারি শেষ হলে ওয়ার্ডভিত্তিক উপকারভোগীদের তালিকাও সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের দপ্তরে সরবরাহ করা হবে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনতেই ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের