
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, কয়েকটি রাজনৈতিক দল পিআর নিয়ে মামাবাড়ির আবদার করছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ যে পদ্ধতিতে অভ্যস্ত, সে পদ্ধতিতে তারা নির্বাচন চায় না।
গতকাল বুধবার জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজিত কর্মী সমাবেশের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে জুলাই আন্দোলনে হতাহত বিএনপি নেতাকর্মীদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আর্থিক সহায়তার চেক এবং অটোরিকশার চাবি বিতরণ করেন রিজভী।
রিজভী বলেন,‘বিএনপির সাড়ে ৪০০-এর বেশি নেতাকর্মী জুলাই আন্দোলনে নিহত হয়েছে। অথচ দু-একটি দল মনে করে সব তারাই করেছে।’
তিনি বলেন, ‘হাসিনা নির্বাচন দিতে চায়নি, আপনারাও চান না- এটি তো শেখ হাসিনারই সুর। শর্ত দিয়ে নির্বাচনে যাবেন কি যাবেন না এমন বক্তব্যে প্রকৃত গণতন্ত্র হবে না, এতে উগ্রপন্থা আবার ফিরবে।’
রিজভী বলেন, ‘বিদেশে বসে শেখ হাসিনা লুট করা টাকা দিয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছে।’
বাংলাভাষী মুসলমানদের জোর করে পুশ ইন করছে আর শেখ হাসিনাকে ‘জামাই আদরে’ রেখেছে; এটা দিল্লির দ্বিচারিতা বলে জানান রিজভী।
তিনি আরও বলেন, ‘বসন্তের কোকিলরা দলে ডুবে চাঁদাবাজি অপকর্ম করছে, তাদের প্রবেশ ঠেকাতে হবে। যারা জেল খেটেছে, যারা নির্যাতিত নেতাকর্মী, তারা কখনও চাঁদাবাজ হবে না।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে রিজভী বলেন, ‘মানুষ বেকার হচ্ছে, দরিদ্র ও অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। আমরা যত সহযোগিতাই করি না কেন, দরিদ্র ও অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা বাড়লে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেবে।’
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, জুলাই আন্দোলনে বিএনপির চার শতাধিক নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। অথচ দু-একটি দল মনে করছে, সব তারাই করেছে।
তিনি আরও বলেন, বসন্তের কোকিলরা দলে ঢুকে চাঁদাবাজি ও অপকর্ম করছে। এদের প্রবেশ ঠেকাতে হবে। যারা জেল খেটেছে, যারা নির্যাতিত নেতাকর্মী, তারা কখনও চাঁদাবাজ হবে না।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম