হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের পিঠা উৎসবে কেউ-ই আমন্ত্রিত ছিলেন না এবং নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবে না – বলেছেন হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের গভর্নিং বডি'র সভাপতি প্রফেসর ড. মো. তৌফিকুল ইসলাম।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলার ঘটনার প্রেক্ষাপটে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, তাদের অনুষ্ঠান ঠিকভাবেই চলছিলো। কিন্তু "হঠাৎ করেই এই নির্বাচনী এলাকার প্রার্থী দলবলসহ এখানে অনুপ্রবেশ করে এবং তখন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এতে আমাদের মঞ্চের ক্ষতি হয়। সাধারণ শিক্ষার্থীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে। যেকোনো প্রার্থী যদি পিঠা উৎসব চলাকালীন সময়ে আসতে চায়, কুশল বিনিময় করতে চায়, সেটি কলেজের প্রিন্সিপ্যালকে যদি অবহিত করতেন। তাহলে বিশ্বাস করি যে উনি নিজেই ব্যবস্থা নিতেন।"
এ সময় কলেজের অধ্যক্ষ কর্নেল (অব:) ইমরুল কায়েসও বলেন, "আমরা স্টল পরিদর্শন করছিলাম। হঠাৎ দেখি গেটের মাঝে প্রচণ্ড ভীড়। অনেকগুলো লোক, ক্যামেরাম্যান নিয়ে, একসাথে ঢোকার চেষ্টা করছে। তখন দেখি ঢাকা-৮ আসনের জনৈক প্রার্থী, যার সাথে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় নাই বা উনি আসবেন, সে বিষয়ে আমায় কেউ অবহিতও করে নাই। উনি আসবেন জানলে আমরা নিশ্চয়ই আগে থেকে ব্যবস্থা নিতাম।"
কলেজের অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সদস্যরা যদিও বলছেন যে কেউ-ই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন না।
তবে ডিম নিক্ষেপের ঘটনার পরে এক সংবাদ সম্মেলনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করেছেন, হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে একটি অনুষ্ঠানে তার বেলা ১২টার দিকে আমন্ত্রণ ছিল আর মির্জা আব্বাসের ছিল দুপুর ২টায়।
এদিকে, মির্জা আব্বাসকে আবার গণমাধ্যমে বলতে শোনা গেছে, তার সেখানে যাওয়ার কথা ছিল বিকাল ৫টায়।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

