বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার

সোমবার,

৩১ আগস্ট ২০২৬,

১৬ ভাদ্র ১৪৩৩

সোমবার,

৩১ আগস্ট ২০২৬,

১৬ ভাদ্র ১৪৩৩

Radio Today News

বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৯:০০, ৩১ আগস্ট ২০২৬

Google News
বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার

বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রিপন হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হোসেন শান্তকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা মহানগর উত্তরের পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ-উর-রহমান এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে কোনোরূপ সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

এর আগে গতকাল ৩০ আগস্ট রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় প্রবাসীর ভাইয়ের কাছ থেকে স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনায় বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বিমানবন্দর থানায় করা অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট নরসিংদীর জেলার বাসিন্দা ও মালয়েশিয়া প্রবাসী কাউসারের ছোট ভাই মো. সুমন বিমানবন্দর থানায় ওই মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফকে ১ নম্বর আসামি করা ছাড়াও বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি রিপনকে ২ নম্বর আসামি, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন শান্তকে ৩ নম্বর আসামি ও বিমানবন্দর সাংগঠনিক ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুবেলকে ৪ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, আমার বড় ভাই কাউসার মালেয়শিয়া প্রবাসী। গত ২৮ আগস্ট তিনি আমাদের বোনের বিবাহ ও আমার পরিবারের ব্যবহারের জন্য মালয়েশিয়া থেকে ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার পাঠান। পরবর্তীতে আমি ও আমার বন্ধু রোহান চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে ওইদিন রাত ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বড় ভাইয়ের পরিচিত এক লোকের কাছ থেকে ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও আমার বন্ধু রোহানের কাছে ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার দিয়ে ভাড়া করা একটি হায়েস গাড়িতে উঠি।

এজাহারে বাদী আরও উল্লেখ করেন, ওইদিন রাত ৮টা ৫ মিনিটের দিকে বিমানবন্দর থানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বলাকা ভবনের বিপরীত পাশের রাস্তায় আসামিরা তাদের গাড়ির গতিরোধ করে। পরে তারা আমাদের আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ কর্মী আখ্যা দিয়ে আমাদের কাছে বোমা আছে বলে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকে। একপর্যায়ে আসামিরা সঙ্গে থাকা ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। এরপর স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে। ওই সময় একজন পথচারী আমাদের বাঁচানোর চেষ্টা করে ও অপর একজন পথচারীর কৌশলে নিজের মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় ভিডিও ধারণ করে। একপর্যায়ে আরও লোকজনকে ঘটনাস্থলে আসতে দেখে আসামিরা স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যায়।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের