টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বর্জন করবে পাকিস্তান। পাকিস্তান সরকারের অফিসিয়াল 'এক্স' অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত একটি পোস্টে জানানো হয়েছে, সরকার পাকিস্তান দলকে বিশ্বকাপের জন্য শ্রীলঙ্কা সফরের অনুমতি দিয়েছে। তবে সেখানে ঘোষণা করা হয়েছে, ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দল মাঠে নামবে না। খবর ইএসপিএন ক্রিকইনফো।
রোববার সন্ধ্যায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং পিসিবি প্রধান মহসিন নকভির মধ্যে এক বৈঠকের পর পাকিস্তান সরকার এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। পিসিবির পক্ষ থেকে কোন ধরনের বক্তব্যও এই প্রতিবেদন লেখা পযন্ত পাওয়া যায়নি।
মূলত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল ২০ দলের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার পর থেকেই পিসিবি প্রধান বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। তার দাবি ছিল, বাংলাদেশের প্রতি অন্যায় করা হয়েছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে নকভি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশ নেয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ৩০ জানুয়ারি অথবা ২ ফেব্রুয়ারি নেয়া হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই এই 'বোমা ফাটানো' ঘোষণা এল, তারা ভারতের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচ বর্জন করছে।
পাকিস্তান সরকারের অফিসিয়াল 'এক্স' (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে বলা হয়েছে, ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান সরকার পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি আসরে অংশ নেয়ার অনুমোদন দিচ্ছে; তবে পাকিস্তান ক্রিকেট দল ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ম্যাচে মাঠে নামবে না।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নকভি এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে এই বৈঠকটি ভারতীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা শুরু হয়। এর আগে বিশ্বকাপের জন্য পাকিস্তান দলের জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানটিও স্থগিত করা হয়। জানানো হয়েছিল, দশম আসরে দলের অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ঘোষণা হওয়ার পরেই জার্সি উন্মোচন করা হবে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান 'গ্রুপ এ'-তে ভারত, নামিবিয়া, নেদারল্যান্ডস এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাথে রয়েছে। সালমান আলী আঘার নেতৃত্বে দলটি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনেই নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তাদের অভিযান শুরু করবে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

