
সিলেটের সাদপাথর পর্যটনকেন্দ্রে লুট হওয়া পাথরের সন্ধান মিলেছে পাঁচটি পুকুরে। এসব পাথরে উদ্ধারে কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চার পুকুরে মিলবে অন্তত ১ লাখ ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর।
জানা গেছে, সাদাপাথর থেকে লুট হওয়া পাথর স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে দিতে সিলেটের জেলা প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার পর নতুন করে অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন।তার ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে সিলেট সদর উপজেলার ধোপাগুল এলাকায় অভিযান শুরু করে সিলেট সদর উপজেলা প্রশাসন।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার মামুনুর রশীদ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদি হাসান হৃদয়। অভিযানে ধোপাগুল এলায় ৫টি পুকুরে সাদাপাথর থেকে লুট হওয়া পাথরের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর এক্সেভেটর দিয়ে পাথর উদ্ধার শুরু করে প্রশাসন।
সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা ছয় ঘণ্টা পাথর উদ্ধার চলে। আগামীকাল সকাল থেকে আবার পুকুরের পাথর উদ্ধারের কাজ শুরু হবে। প্রশাসনের ধারণা, এই পাঁচ পুকুরে কমপক্ষে ১ লাখ ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর রয়েছে।
সিলেট সদর উপজেলা সূত্র জানায়, তাদের অভিযানে বুধবার পর্যন্ত ৬ লাখ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়।
পুকুরগুলো থেকে দেড় লাখ ঘনফুট পাথর জব্দ হলে সে পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে সাড়ে ৭ লাখ ঘনফুটে।
এসব তথ্য কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াৎ। তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে ৬টা পর্যন্ত ধোপাগুল এলাকায় টানা অভিযান চালানো হয়েছে। এ সময় ৫টি পুকুরে ডুবিয়ে রাখা পাথরের সন্ধান পাওয়ার পর পুকুরগুলো থেকে পাথর উদ্ধার চলছে। পুকুরগুলের গভীরতা নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি।
তবে প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা পুকুরগুলোতে দেড় লাখ ঘনফুটের বেশি পাথর রয়েছে। যত গভীরে যাচ্ছে তত বেশি পাথর মিলছে।’
এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়েছে কি না প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এর সঙ্গে কারা জড়িত অনুসন্ধান চলছে। নিশ্চিত হওয়া গেলে যেই জড়িত থাকুক তাকে বা তাদের আমরা জেল জরিমানা করব। আর যদি ধরা না যায় পালাতক থাকে তাহলে নিয়মিত মামলা হবে।’
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম