ফেব্রুয়ারিতে বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের দাম আবার বেড়েছে: জাতিসংঘ

শনিবার,

০৭ মার্চ ২০২৬,

২৩ ফাল্গুন ১৪৩২

শনিবার,

০৭ মার্চ ২০২৬,

২৩ ফাল্গুন ১৪৩২

Radio Today News

ফেব্রুয়ারিতে বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের দাম আবার বেড়েছে: জাতিসংঘ

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১০:৫২, ৭ মার্চ ২০২৬

Google News
ফেব্রুয়ারিতে বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের দাম আবার বেড়েছে: জাতিসংঘ

পাঁচ মাস নিম্নমুখী থাকার পর ফেব্রুয়ারিতে বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের দাম আবার বেড়েছে বলে জানিয়েছে  জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)। সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, গম, ভোজ্য তেল ও মাংসের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যপণ্যের সামগ্রিক মূল্যসূচক বাড়িয়েছে।

এফএওর ফুড প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী জানুয়ারির তুলনায় খাদ্যপণ্যের দাম ০ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষ করে ভোজ্যতেলের দাম ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা বাড়লেও উৎপাদন কমে যাওয়ায় এই মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। সয়াবিন তেলের দামও বেড়েছে, যদিও আর্জেন্টিনা থেকে রপ্তানি বাড়ায় সূর্যমুখী তেলের দাম কিছুটা কমেছে।

গমের দাম জানুয়ারির তুলনায় ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অঞ্চলে তীব্র শীত এবং রাশিয়া ও কৃষ্ণসাগর অঞ্চলে সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির কারণ। বাসমতি চালের দামও চাহিদা বৃদ্ধির ফলে ০ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে।

মাংসের দাম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে ভেড়ার মাংসের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রে চাহিদা বাড়ায় গরুর মাংসের দামও বেড়েছে। অন্যদিকে দুগ্ধজাত পণ্যের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ এবং চিনির দাম ৪ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে।

এফএওর পৃথক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের ৪১টি দেশে খাদ্য সহায়তা প্রয়োজন, যাদের বেশিরভাগই আফ্রিকার দেশ। সংঘাত, নিরাপত্তাহীনতা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এসব দেশে খাদ্য সংকট চলছে। পাশাপাশি ৪৪টি নিম্ন-আয়ের দেশে ২০২৫–২৬ মৌসুমে শস্য উৎপাদন প্রায় ১ শতাংশ কমতে পারে, যা বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তার জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের