চীনের দারিদ্র্য বিমোচন প্রচেষ্টাকে বৈশ্বিক দারিদ্র্য হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ। চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক (সিজিটিএন) পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, ৯৩ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন দারিদ্র্য দূরীকরণে চীনের সাফল্য বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য কমাতে অগ্রগামী ভূমিকা রেখেছে।
জরিপে ৮৯ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, চীনের দারিদ্র্য বিমোচন শুধু বস্তুগত দারিদ্র্য দূর করেনি; বরং মানুষের চিন্তাভাবনা, জীবনধারা ও তৃণমূল পর্যায়ের শাসনব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।
২০২১ সালে চীন দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ‘পূর্ণ বিজয়’ ঘোষণা করে এবং পাঁচ বছরের একটি রূপান্তরকাল নির্ধারণ করে। এ সময়ে দেশটির ৮৩২টি দরিদ্র কাউন্টিতে প্রধান শিল্প গড়ে তোলা হয়েছে।
জরিপে ৯২ দশমিক ৯ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, জনকেন্দ্রিক উন্নয়ন দর্শনই চীনের দারিদ্র্য হ্রাসের মূল চালিকাশক্তি।
এ ছাড়া ৯০ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো ও দক্ষ পরিচালন ব্যবস্থার মাধ্যমে সব অংশীজনকে একত্রিত করার সক্ষমতা চীনের সাফল্যের অন্যতম কারণ।
বিশ্বব্যাংকের গবেষণা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোতে ৭৬ লাখ মানুষ চরম দারিদ্র্য এবং ৩ কোটি ২০ লাখ মানুষ মাঝারি দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

