লাওসের রাজধানী ভিয়েনতিয়েনে অনুষ্ঠিত হয়েছে চীন ও লাওসের যৌথ সামরিক চিকিৎসা মহড়া ‘পিস ট্রেন-২০২৬’। কোনো অঞ্চলে ভয়াবহ টাইফুনের আঘাতে মানবিক বিপর্যয় ঘটলে কীভাবে দুই দেশের যৌথ দল তা সামাল দেবে, তা কেন্দ্র করেই পুরো প্রক্রিয়ার বাস্তবমুখী এই মহড়া পরিচালিত হয়।
সামনের সারির যৌথ কমান্ড সেন্টারের নির্দেশে মহড়া শুরু হতেই ড্রোন ও 'রোবট ডগ' সহ অত্যাধুনিক ও চালকবিহীন ড্রোন প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় উদ্ধারকারী দল। এসব প্রযুক্তির পাঠানো তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আটকে পড়া ও আহতদের নিখুঁত অবস্থান শনাক্ত করে চীন ও লাওসের যৌথ উদ্ধারকারী দল।
ঘটনাস্থলে দুই দেশের জরুরি উদ্ধারকারী ও চিকিৎসা দল একসঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে। প্রথমেই চালকবিহীন যান ব্যবহার করে আহতদের দ্রুত ঝুঁকিমুক্ত স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এবং বিশেষ পরিহন যানের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে রোগীদের নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য।
মহড়ার একটি উল্লেখযোগ্য দৃশ্য ছিল চলন্ত 'মেডিকেল ট্রেইনের' অপারেটিং রুমে দুই দেশের চিকিৎসকদের যৌথ অস্ত্রোপচার।
একটি 'মোবাইল আইসিইউ' হিসেবে কাজ করা এই বিশেষ চিকিৎসা ট্রেইনটিতে ১০টি ইলেকট্রিক লিফটিং বেডসহ মোবাইল ভেন্টিলেটর, আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন এবং ইসিজি মনিটরের সুব্যবস্থা রয়েছে। এতে একসাথে অন্তত ২১ জন মারাত্মক আহত বা অসুস্থ রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা দেওয়া সম্ভব।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

