হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না: ইরান

বুধবার,

১৫ জুলাই ২০২৬,

৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

বুধবার,

১৫ জুলাই ২০২৬,

৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

Radio Today News

হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩:১৭, ১৪ জুলাই ২০২৬

Google News
হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না: ইরান

ইরানের সশস্ত্র বাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ তারা কোনো অবস্থাতেই মেনে নেবে না। সোমবার (১৪ জুলাই) এক বিবৃতিতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাকারি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের আচরণ পুরো অঞ্চলের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, “হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় হস্তক্ষেপের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বারবার দুঃসাহসিক ও বিদ্বেষমূলক কর্মকাণ্ড আঞ্চলিক নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং তেলবাহী ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলকে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলেছে।”

তিনি আরও বলেন, “দুঃখজনকভাবে, অঞ্চলের কয়েকটি দেশের সহযোগিতার কারণে যুদ্ধ পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বেড়েছে।”

যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি সতর্ক করে জোলফাকারি বলেন, “আগের সতর্কবার্তাগুলোর ধারাবাহিকতায় আবারও স্পষ্ট করে জানানো হচ্ছে, কোনো পরিস্থিতিতেই আমরা হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রকে হস্তক্ষেপ করতে দেব না এবং ভবিষ্যতেও দেব না।”

অঞ্চলে অনুমোদনহীন মার্কিন নৌ তৎপরতার পরিণতি সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শক্তি প্রয়োগ করে জবাব দেবে।

তার ভাষ্য, “ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর অনুমোদন ছাড়া এবং নির্ধারিত নৌপথের বাইরে অবস্থান করে মার্কিন বাহিনী যদি বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে, তবে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে।”

তিনি আরও দাবি করেন, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং ইরানের সেনাবাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযানগুলো এ বিষয়ে তাদের অঙ্গীকারের প্রমাণ।

এদিকে, অঞ্চলের দেশগুলোর প্রতিও আলাদা সতর্কবার্তা দেন জোলফাকারি। তিনি বলেন, “আঞ্চলিক রাষ্ট্রপ্রধানদের সতর্ক করা হচ্ছে—যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা কিংবা তাদের আগ্রাসী বাহিনীকে লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া ইরানের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল বলে বিবেচিত হবে।”

তিনি আরও বলেন, “যদি যুদ্ধ পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে, তবে সেই যুদ্ধের আগুন থেকে কোনো দেশই রক্ষা পাবে না।”

জোলফাকারির দাবি, এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের সহযোগী দেশগুলোর ওপরই বর্তাবে।

তিনি বলেন, “অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা ও যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার সব ধরনের দায়ভার যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের ‘অপরাধী’ সেনাবাহিনীর সহযোগী দেশগুলোকেই বহন করতে হবে।”

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের