মঙ্গলবার,

০৬ অক্টোবর ২০২৬,

২১ আশ্বিন ১৪৩৩

মঙ্গলবার,

০৬ অক্টোবর ২০২৬,

২১ আশ্বিন ১৪৩৩

Radio Today News

‘মক্কা চুক্তি’ সক্রিয়, সৌদিতে সেনা মোতায়েন করতে সম্মত দুই দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৩৩, ৬ অক্টোবর ২০২৬

Google News
‘মক্কা চুক্তি’ সক্রিয়, সৌদিতে সেনা মোতায়েন করতে সম্মত দুই দেশ

ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের পাল্টা অভিযান শুরুর মধ্যেই দেশটির পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। নতুন পারস্পরিক প্রতিরক্ষা জোট ‘মক্কা চুক্তি’র আওতায় সৌদি আরবে দ্রুত সেনা মোতায়েন করবে দেশ দুটি।

সোমবার সৌদি রাজধানী রিয়াদে তিন দেশের প্রতিনিধিদের জরুরি বৈঠকের পর এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বৈঠকে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা জানানো হয়। তবে যৌথ বিবৃতিতে হুতিদের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিন দেশ ‘সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে যেকোনো হামলা বা হুমকির সুস্পষ্ট বিরোধিতা’ করে। পাশাপাশি সম্মিলিত প্রতিরক্ষার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া এবং সৌদি আরবে প্রয়োজনীয় সামরিক শক্তি ও সক্ষমতা দ্রুত মোতায়েনের বিষয়ে একমত হয়েছে তারা।

সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন এই উদ্যোগ এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন হুতিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী বড় ধরনের অভিযান শুরু করেছে। সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনীর দাবি, ১২ বছরের যুদ্ধে হুতিরা যে বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করেছে, সেগুলো পুনরুদ্ধার করাই এ অভিযানের লক্ষ্য।

তবে সৌদি আরবে পাকিস্তান ও তুরস্কের সেনা মোতায়েন হুতিদের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে কী ধরনের সামরিক প্রভাব ফেলবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

পাকিস্তানের সেনারা আগে থেকেই সৌদি আরবে রয়েছে। দেশটিতে পাকিস্তানের কয়েক হাজার সেনা অবস্থান করছে। সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের পাশে দাঁড়াতে পাকিস্তান চারটি উড়োজাহাজে করে অস্ত্র ইয়েমেনের বন্দরনগরী এডেনে পাঠিয়েছে।সরকারি সেবা

উপসাগরীয় অঞ্চলের এক পশ্চিমা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাকিস্তানি সদস্যরা ইতিমধ্যে ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলেও মোতায়েন রয়েছেন। তবে তারা সৌদি সামরিক বাহিনীর হয়ে চুক্তিভিত্তিক কাজ করছেন, নাকি সরাসরি পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সদস্য-তা স্পষ্ট নয়।

এদিকে সোমবার সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক সিনেটর ক্রিস মারফির সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠক করেছেন। ইয়েমেন যুদ্ধের অন্যতম কঠোর সমালোচক হিসেবে পরিচিত ছিলেন মারফি। ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগে তিনি ইয়েমেনে যুদ্ধের সমালোচনা করেছিলেন।

তবে ওই যুদ্ধবিরতি গত জুলাইয়ে ভেঙে যায়। এরপর হুতিরা লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজে হামলা শুরু করে। দুই মাস পর লোহিত সাগরের উপকূল ধরে নতুন করে অভিযান চালায় তারা।

সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনী সোমবার দাবি করেছে, হুতিদের দখলে থাকা উপকূলীয় এলাকার বেশির ভাগই তারা পুনর্দখল করেছে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের


Warning: Undefined variable $sAddThis in /home/radio4to0da9y/public_html/details.php on line 536