কর্মঘণ্টায় ফেসবুক ব্যবহারের প্রমাণ পেলে সেদিনই চাকরিতে শেষ দিন

বৃহস্পতিবার,

০১ জানুয়ারি ২০২৬,

১৮ পৌষ ১৪৩২

বৃহস্পতিবার,

০১ জানুয়ারি ২০২৬,

১৮ পৌষ ১৪৩২

Radio Today News

প্রধান বিচারপতির কঠোর হুঁশিয়ারি

কর্মঘণ্টায় ফেসবুক ব্যবহারের প্রমাণ পেলে সেদিনই চাকরিতে শেষ দিন

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৩:৫৯, ১ জানুয়ারি ২০২৬

Google News
কর্মঘণ্টায় ফেসবুক ব্যবহারের প্রমাণ পেলে সেদিনই চাকরিতে শেষ দিন

কর্মঘণ্টায় বিচারকদের ফেসবুক ব্যবহার না করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। জানান, ফেসবুক ব্যবহারের প্রমাণ পেলে সেদিনই চাকরিতে শেষ দিন হবে। সম্প্রতি দেশের সব জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে দেয়া অভিভাষণে প্রধান বিচারপতি এ কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে এ অভিভাষণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধান বিচারপতি আদালতের পরিবেশ, দ্রুততম সময়ে মামলায় আদেশ ও রায় প্রদান করা, সততা বজায় রাখা, বহিরাগতদের কোর্টে প্রবেশ নিষিদ্ধে বিচারকদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন বলে জানা যায়।

জুবায়ের রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আদালতের কর্মঘণ্টার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করার কোনো সুযোগ নেই। যদি কোনো বিচারক কর্মঘণ্টার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন এবং তার প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে সেদিনই হবে তার বিচারিক জীবনের শেষ দিন।’

অভিভাষণে অধস্তন আদালতের বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখা হবে। বিচার আসনে বসে কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতিকে আশ্রয়-প্রশয় দেয়ার সুযোগ নেই। বিচারক হিসেবে আপনাদের সৎ ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সততার ব্যাপারে কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না। যদি কোনো বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে তাকে চড়া মূল্য দিতে হবে।’

এসময় বিচারকদের দ্রুততম সময়ে রায় প্রদানের নির্দেশনা দেন প্রধান বিচারপতি।

তিনি বলেন, ‘আপনারা মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তির তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে রায় প্রকাশ করবেন। যদি রায় প্রদানে বিলম্ব করেন তাহলে পুনরায় মামলার নথি পর্যালোচনা করতে হয়। এতে সময়ের অপচয় হবে। ভোগান্তি হবে বিচারপ্রার্থী জনগণের। সেজন্য রায় বা আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বিলম্ব কাম্য নয়। আদালতের কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতে হবে।’

প্রসঙ্গত, অধস্তন আদালতের অফিসের সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এর মধ্যে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আদালতের কর্মঘণ্টা। মাঝে দুপুরের খাবার ও নামাজের বিরতি রয়েছে বলে জানান নিম্ন আদালতের একাধিক বিচারক।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের