ডিমে ভিটামিন ডি রয়েছে। তবে যারা প্রতিদিন ডিম খেতে পারেন না বা চান না, তারা অন্যান্য খাবার থেকেও ভিটামিন ডি-এর চাহিদা পূরণ করতে পারেন।
কড লিভার অয়েল ভিটামিন ডি-এর অন্যতম সেরা উৎস। এক টেবিল চামচ কড লিভার অয়েল দৈনিক প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি-এর ১৭০% পূরণ করে। ডিমের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ভিটামিন ডি থাকার পাশাপাশি, কড লিভার অয়েলে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অ্যাসিড থাকে। এমনটাই জানানো হয়েছে নিউজ১৮-এর এক প্রতিবেদনে।
৩ আউন্স স্যামন মাছ দৈনিক ভিটামিন ডি চাহিদার ৭০ শতাংশেরও বেশি পূরণ করে। ভিটামিন ডি ছাড়াও স্যামন মাছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, বি ভিটামিন, পটাশিয়াম, সেলেনিয়াম এবং ক্যারোটিনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অ্যাস্টাক্সান্থিন থাকে।
ভিটামিন ডি পেতে সার্ডিন মাছও খেতে পারেন। উচ্চ মাত্রায় প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, বি১২ এবং সেলেনিয়াম থাকার পাশাপাশি সার্ডিন মাছ ভিটামিন ডি-এরও ভালো উৎস। চারটি সার্ডিন মাছে ২.৪ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন ডি থাকে, যা দৈনিক চাহিদার ১২%। গবেষণায় দেখা গেছে, সার্ডিন মাছ প্রতিরক্ষামূলক পুষ্টি উপাদানে ভরপুর। এ মাছ নিয়মিত খেলে হৃদরোগ এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি কমে।
সয়া ও আমন্ড মিল্কের মতো অনেক উদ্ভিদ-ভিত্তিক দুধে ভিটামিন ডি যোগ করা থাকে। এগুলো ডিমের চেয়েও ভিটামিন ডি-এর ভালো উৎস হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, এক কাপ সিল্ক অরিজিনাল সয়া মিল্কে ভিটামিন ডি-এর দৈনিক চাহিদার ১৫% এবং ৩৫% থাকে। সয়া দুধ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে প্রোটিন সরবরাহ করে। ৮ আউন্স সিল্ক অরিজিনাল সয়া দুধে ৮ গ্রাম প্রোটিন থাকে, যা নিরামিষভোজীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য প্রোটিনের উৎস।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

