বৃহস্পতিবার,

০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩,

২০ মাঘ ১৪২৯

বৃহস্পতিবার,

০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩,

২০ মাঘ ১৪২৯

Radio Today News
bangas biscuit

রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের অর্থনীতি

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৮:৩৩, ৬ ডিসেম্বর ২০২২

রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের অর্থনীতি

রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের অর্থনীতি রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি। এতে দ্রুতই সংকট কেটে যাবে। সোমবার (৫ ডিসেম্বর) নিক্কেই এশিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, পণ্য রপ্তানি খাতে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছে।

গত নভেম্বরে রপ্তানি আয় হয়েছে প্রায় ৫০৯ কোটি ডলার, যা গত বছরের নভেম্বরের তুলনায় ২৬ দশমিক ১ শতাংশ বেশি। আর অক্টোবরে এ খাত থেকে আয় হয় ৪৩৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

একইসঙ্গে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহও বেড়েছে। নভেম্বর মাসে ১৫৯ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা গত বছরের নভেম্বরে ছিল ১৫৫ কোটি ডলার। প্রবাসী আয় অক্টোবরের চেয়ে বেশি এসেছিল নভেম্বরে। অক্টোবরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৫২ কোটি ৫৪ লাখ ডলার।

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ যখন নিম্নমুখী ঠিক তখনই রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। এমনকি চলতি বছর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো সংকট মোকাবিলায় হিমশিম খেলেও দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আশাবাদী করে তুলেছে।

২০২১ সালের আগস্ট মাসেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। কিন্তু চলতি বছরের নভেম্বরের শেষ নাগাদ তা ৩ হাজার ৩৭৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবে রিজার্ভ কিছুটা কম। তাদের হিসেবে রিজার্ভের পরিমাণ ২ হাজার ৫৭৮ বিলিয়ন ডলার। যা আগামী ছয় মাসের জন্য আমদানি ব্যয় মেটাতে যথেষ্ট বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে বাজেট সহায়তা হিসেবে আইএমএফের পক্ষ থেকে ৪ হাজার ৫ বিলিয়ন ডলারের প্রথম কিস্তি পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে তুলবে বলে আশা বিশেষজ্ঞদের।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। এরপর থেকে বাংলাদেশের ওপর অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেল ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দামবৃদ্ধির কারণে ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। যার ফলে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও দ্রুত কমে যায়।

ইতোমধ্যে ভিয়েতনাম, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের মতো দেশকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। গ্লোবাল ম্যানেজমেন্ট কনসালটিং ফার্ম বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের (বিসিজি) এক সমীক্ষায় দেখে গেছে, আগামী এক-দুই দশকে এক ট্রিলিয়ন তথা এক লাখ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে বাংলাদেশ।

রেডিওটুডে নিউজ/মুনিয়া

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের