এলপি গ্যাসের সঙ্কট কাটবে কবে, যা জানালেন জ্বালানি উপদেষ্টা

বুধবার,

২১ জানুয়ারি ২০২৬,

৭ মাঘ ১৪৩২

বুধবার,

২১ জানুয়ারি ২০২৬,

৭ মাঘ ১৪৩২

Radio Today News

এলপি গ্যাসের সঙ্কট কাটবে কবে, যা জানালেন জ্বালানি উপদেষ্টা

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২৩:১৫, ২০ জানুয়ারি ২০২৬

Google News
এলপি গ্যাসের সঙ্কট কাটবে কবে, যা জানালেন জ্বালানি উপদেষ্টা

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও পবিত্র মাহে রমজান পূর্বে দেশে লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) কোনো ধরনের ঘাটতি থাকবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন এই খাতের উদ্যোক্তারা।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রেল ভবনের সম্মেলন কক্ষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি মতবিনিময় সভায় তারা এ আশ্বাস দেন। 

সভায় এলপিজির বর্তমান বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে করণীয় নির্ধারণ করা হয়। জ্বালানি খাতের শীর্ষ অপারেটরগণ আগামী দুই মাসের আমদানির লক্ষ্যমাত্রা তুলে ধরে উপদেষ্টাকে আশ্বস্ত করা হয় যে, জানুয়ারি মাসের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলেই বর্তমান সংকটের অবসান ঘটবে। 

সভায় জ্বালানি উপদেষ্টা তার বক্তব্যে জাতীয় নির্বাচন এবং রমজান মাসে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, অপারেটরগণ জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে আমদানির যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা যেন বাস্তবে প্রতিফলিত হয়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের নীতিগত ও প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। 

সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ১২টি শীর্ষস্থানীয় এলপিজি অপারেটর ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন এবং ফেব্রুয়ারি মাসে ১ লাখ ৮৪ হাজার ১০০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে যমুনা স্পেসটেক সর্বোচ্চ ৪৪ হাজার টন (ফেব্রুয়ারি), ওমেরা পেট্রোলিয়াম ২৫ হাজার টন এবং মেঘনা ফ্রেশ ৩০ হাজার টন আমদানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সভায় এলপিজি অপারেটরদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে সাম্প্রতিক সময়ে এলপিজি আমদানি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবে জানুয়ারি মাসে নির্ধারিত ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন আমদানি সম্পন্ন হলে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে। তারা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে তারা তাদের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করবেন।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যানসহ খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ সভায় বক্তব্য রাখেন। সভায় বিএম এনার্জি, ওমেরা, যমুনা, নাভানা এবং টিএমএসএস-সহ প্রধান অপারেটরদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের