১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মঙ্গলবার,

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

১২ ফাল্গুন ১৪৩২

মঙ্গলবার,

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

১২ ফাল্গুন ১৪৩২

Radio Today News

১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১০:২৫, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১০:২৯, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Google News
১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে পরীক্ষামূলকভাবে ১৩টি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটি’র সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। 

সভায় জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে দুটি উপজেলায় পাইলটিংয়ের পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে এখন দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা সভায় জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে কাঠামোবদ্ধভাবে সহায়তা দেওয়া হবে। সুবিধাভোগী নির্বাচনে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য ব্যবহার করা হলেও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডগুলোতে সরেজমিনে যাচাই-বাছাই করা হবে। এক্ষেত্রে উপকারভোগীদের হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই চার শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা সভায় জানান, বর্তমানে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে সুবিধাভোগী নির্বাচনে প্রায় ৫০ শতাংশ ত্রুটি রয়েছে, ফলে অর্থের অপচয় হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে একাধিক কর্মসূচির সুবিধা একীভূত করা সম্ভব হবে এবং এই ত্রুটি অনেকাংশে কমে আসবে।

অর্থ বিভাগের সচিব জানান, এই কার্ড চালু হলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, টিসিবি কার্ড ও ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট’ কর্মসূচিগুলো একীভূত করা হবে। সুবিধাভোগী নির্বাচনে এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ ও মোবাইল নম্বর থাকা বাধ্যতামূলক। কোনো ব্যক্তি যেন দ্বৈত সুবিধা নিতে না পারেন, সেজন্য অন্য সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে এর আন্তঃসংযোগ রাখা হবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, একটি ফ্যামিলি কার্ডে প্রতি পরিবারে পাঁচজন সদস্য বিবেচনা করা হবে। একান্নবর্তী পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলে প্রতি পাঁচজনের জন্য আলাদা কার্ডের ব্যবস্থা থাকবে। তবে একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না। ফ্যামিলি কার্ডটি মূলত পরিবারের নারী প্রধানের নামে বিতরণ করা হবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে যেসব এলাকায় মিলবে এই সুবিধা

১৩টি উপজেলার নির্বাচিত ১৩টি ওয়ার্ডে এই পাইলটিং শুরু হবে। এলাকাগুলো হলো:

ঢাকা: গুলশান-১ সংলগ্ন কড়াইল বস্তি।

চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী এলাকা: পতেঙ্গা ও বাঞ্ছারামপুর।

অন্য এলাকা: পাংশা, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাবগঞ্জ।

প্রকল্পের আওতায় পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অনুদানের অর্থ সরাসরি ব্যাংক বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের